ভোটের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে ঘরে বসে থাকব না: ইশরাক
ছবি: সংগৃহীত
০৩:২৮ এএম | ২৭ মার্চ, ২০২৫
ভোট গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ। এই নাগরিক অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে নিজেরা ঘরে বসে থাকবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী ইশরাক হোসেন।
গতকাল বুধবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে রাজধানীর গোপীবাগে সাদেক হোসেন খোকা স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য কামনায় আয়োজিত এক দোয়া ও ইফতার মাহফিলে ইশরাক হোসেন এ কথাগুলো বলেন।
গণহত্যার বিচারের কথা বলে দ্বিচারিতা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আট মাস পার হলেও গণহত্যার বিচার হচ্ছে না। অথচ সব হত্যাকারীর ভিডিও ফুটেজ আছে। শেখ হাসিনার নির্দেশনার বক্তব্য রয়েছে। বিচারও করছেন না। আবার বলছেন বিচার না হলে নির্বাচন হবে না। এ দ্বিচারিতা জনগণ বোঝে।’
এই বিএনপি নেতা বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয় উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উত্থাপিত হলে সেখানেও আপত্তি আসে। তার মানে তাঁদের ভেতরেও এ বিষয়টি নিয়ে বিভক্তি রয়েছে।
ইশরাক হোসেন বলেন, ‘৫ আগস্টের রক্তাক্ত বিপ্লবের পর দেশের অতীত ইতিহাস মুছে ফেলার চক্রান্ত হয়েছে। বলা হয়েছে, দেশ নতুন করে স্বাধীন হয়েছে। আসলে আমরা স্বাধীনতা ফেরত পেয়েছি। প্রকৃত স্বাধীনতা আমরা ’৭১ সালেই অর্জন করেছি। মূলত ’৭১-এর পরাজিত শত্রুরাই এগুলো বলে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। ’৭১ আর ’২৪ এক বিষয় নয়। বরং এসব বলে মুক্তিযুদ্ধের সময় নিহত লাখো শহীদ এবং যাঁদের সম্ভ্রমহানি হয়েছে, তাঁদের অসম্মান করা হয়েছে।’
ইশরাক বলেন, ‘কেউ কেউ বলছেন জুলাই বিপ্লবে তাঁরা একাই করেছেন, আর কেউ ছিল না। এগুলো ’৭১ সালের পরাজিত শক্তির বক্তব্য। বিএনপি ও ছাত্রদলই এ আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে। ’৭১-এর কৃতিত্ব যেভাবে হাসিনা এককভাবে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল, একই কায়দায় [চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে] কেউ কেউ নিজ কৃতিত্ব জাহির করার অপচেষ্টা করেছেন।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক পাভেল সিকদারের সভাপতিত্বে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেন বিএনপির সহস্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক পারভেজ রেজা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের আহ্বায়ক সুমন ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রহিম ভূঁইয়া, বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী ও মাশরুল হোসেন প্রমুখ।
এফপি