দোভাষী লাগল মোদীর, ড. ইউনূসের সাথে ইংরেজিতে কথা বলতে পারল না: তারেক

আমজনতার দলের সদস্য সচিব তারেক রহমান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা করতে দোভাষীর সহায়তা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে মোদি বিশ্বমানের নেতার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কথা বলার যোগ্যতা রাখেন না। তারেক রহমান একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, মোদির সঙ্গে আলোচনা করতে যে ব্যক্তি ছিল, তিনি কোনও কূটনীতিক না হয়ে দোভাষী ছিলেন। তিনি আরো বলেন, "বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য যে, এমন একজন নেতা পেয়েছে, যার পাশে বসতে হলেও মোদিকে দোভাষীর সাহায্য নিতে হয়।"

তারেক রহমান ড. ইউনূসের সঙ্গে মোদির আলোচনায় সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে উল্লেখ করেন। তিনি প্রশ্ন করেন, "ভারতের গণমাধ্যম কি কখনো লিখবে যে, বিএসএফ কীভাবে বছরের পর বছর বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করেছে?" তিনি আরও বলেন, "গত ১৬ বছরে ১,০০০-এর বেশি বাংলাদেশি সীমান্তে প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে নথিভুক্ত সংখ্যা মাত্র ৬০০।"

গঙ্গা ও তিস্তা পানি বণ্টন বিষয়ে ভারতের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, "ভারত নিজে অন্য দেশের পানি ভোগ করলেও, বাংলাদেশকে তার ন্যায্য হিস্যা দিতে চায় না। বর্ষায় পানি ছেড়ে বন্যা সৃষ্টি করে, আবার শুষ্ক মৌসুমে পানি আটকে রাখে।"

ভারতের প্রতি বাংলাদেশে আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "ভারতের রাজনৈতিক দলগুলো – সরকার বা বিরোধী, কেউই বাংলাদেশের স্বার্থকে সমর্থন করে না।" রোহিঙ্গা সংকটেও ভারতের ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

তারেক রহমান দাবি করেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে শক্ত অবস্থান তৈরি করবে। তিনি বলেন, "আজকের দিনের সবচেয়ে বড় বার্তা হলো— মোদিকে দোভাষীর সাহায্য নিতে হয়েছে, আর ড. ইউনূস নিজেই সাবলীলভাবে ইংরেজিতে কথা বলেছেন। এটাই দুই নেতার মধ্যে পার্থক্য।"

এসএস

Share this news on: