© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জনসেবা নয়, ব্যক্তিগত লোভ ছিল সাকিবের : শফিকুল আলম

শেয়ার করুন:
জনসেবা নয়, ব্যক্তিগত লোভ ছিল সাকিবের : শফিকুল আলম

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৫৮ পিএম | ১৭ এপ্রিল, ২০২৫

<div><div><div><div><div><div><div><div><div><div><div><div>সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, "আমি ভুল করিনি, নির্বাচনে দা

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, "আমি ভুল করিনি, নির্বাচনে দাড়ালে মাগুরার মানুষ আমাকে আবার জিতাবেন" বলে মন্তব্য করেছেন সাকিব আল হাসান। এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে সাকিবের এই সিদ্ধান্তকে 'নৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা' বলে কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন।

শফিকুল আলম তার পোস্টে উল্লেখ করেন, "রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার। কিন্তু প্রশ্ন হলো - আপনি কাদের সাথে নিজেকে জড়াচ্ছেন? বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গণহত্যা, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, দুর্নীতির পাশাপাশি ব্যাংক ডাকাতির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে সাকিবের এই সিদ্ধান্ত নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।"

তিনি আরো তীব্র ভাষায় যোগ করেন, "সাকিব হয়তো ভাবছেন সরকারে যোগ দিয়ে দায়মুক্তি পাবেন। কিন্তু ইতিহাস তাকে ক্ষমা করবে না। এটা জনসেবা নয়, ব্যক্তিগত লাভের খেলা। মাগুরায় বিরোধীদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের সময় তার নীরবতা ইতিমধ্যেই তার অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে।"

প্রেস সচিবের বক্তব্যে সাকিবের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হয়: "সাকিব হয়তো বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার, কিন্তু প্রতিভা নৈতিক দায়মুক্তি দেয় না। একজন তারকা হিসেবে তার দায়িত্ব ছিল সঠিক অবস্থান নেওয়া। তার এই সিদ্ধান্ত লোভের ফল, জনগণের সেবা নয়। একদিন তাকে জাতিসংঘের ১২৭ পৃষ্ঠার সেই প্রতিবেদন পড়তে হবে, যা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দলিল। তখনই তিনি বুঝতে পারবেন, এটা শুধু ভুল নয় - এক ভয়াবহ বিশ্বাসঘাতকতা।"

এদিকে সাকিবের সমর্থকরা তার এই সিদ্ধান্তকে 'জনগণের পক্ষে অবস্থান' হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও বিরোধী মহল এটিকে 'সুযোগসন্ধানী পদক্ষেপ' বলে আখ্যায়িত করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই বিতর্ক আরো তীব্র হবে। সাকিবের এই সিদ্ধান্ত আসন্ন নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলে, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।

এসএম/টিএ

মন্তব্য করুন