© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কওমি সনদ বাস্তবায়নের দায়িত্ব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের : ধর্ম উপদেষ্টা

শেয়ার করুন:
কওমি সনদ বাস্তবায়নের দায়িত্ব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের : ধর্ম উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৩২ পিএম | ১৮ এপ্রিল, ২০২৫

<div>ধর্ম উপদেষ্টা আল্লামা ড. আ ফ ম খালিদ হুসাইন বলেছেন, কওমি সনদের বাস্তবায়ন নি...

ধর্ম উপদেষ্টা আল্লামা ড. আ ফ ম খালিদ হুসাইন বলেছেন, কওমি সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। কারণ এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। তবে আমি এ ব্যাপারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টাসহ সবার সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাত মাড়ে ১০টায় হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ধুলিয়া মাদরাসা মাঠে আল্লামা আব্দুর রহমান শায়খে ধুলিয়ার ‘জীবন ও কর্ম’ নামে একটি গ্রন্থের প্রকাশনা এবং তার জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান মেহমানের বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

এখন আমাদের দেখতে হবে কওমির সনদ ও সুবিধা যারা নিতে চান, তারা নিতে কতটা প্রস্তুত। তারা নিতে চাইলে আমরা দিতে প্রস্তুত আছি।

ড. আ ফ ম খালিদ হুসাইন বলেন, ‘চাকরি ও কওমি সনদের স্বীকৃতির বিষয়ে আলেম-ওলামাদের মাঝে একটি ফিলসফি কাজ করে, সেটি হলো— দারুল উলুম দেওবন্দের আটটি নীতির একটি হলো সরকারের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না থাকা।

মনে রাখতে হবে, মাদরাসা হলো আল্লাহর রহমত। এই মাদরাসা লোকজনের কলিজার ভেতর আল্লাহর ভয় পয়দা করে। মানুষের মুখে দাড়ি ও মাথায় টুপি নিশ্চিত করে। আল্লাহর ভয় থাকলে মানুষের মর্যাদা বেড়ে যাবে।
সমাজে দু-একজন আলেমের জন্য ফুল জামাতকে দোষী সাব্যস্থ করা যাবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘মানুষ ক্ষমতার জন্য পাগল হয়ে যায়। প্রয়োজনে লক্ষ লোককে মেরে ফেলতেও দ্বিধা করে না। কিন্তু পাগলামি কমে যায় যখন মাথার ওপর ডাণ্ডা পড়ে। রোমানিয়ার চসেস্কুর ক্ষমতার লোভের পরিণতি ছিল তাকে ৫০টি গুলি দিয়ে হত্যা করা হয়।

লোভী মানুষরা যেখানে টাকা ও জমি দেখে, সেখানে হামলা করে। টাকার জন্য এই পাগলামি বন্ধ করতে হবে। মনে রাখতে হবে- চোর, ডাকাত ও ঘুষখোরদের হজও আল্লাহ কবুল করেন না।’
আরো পড়ুন

বর্তমান সরকার আট মাস দায়িত্ব পালনকালে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন চোখে পড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এবার হজের খরচ এক লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে। সরকারি টাকায় এখন কেউ হজে যেতে পারবে না। এবার আমরা হাজীদের সেবার জন্য ২০০ সরকারি ডাক্তার, নার্স, ফার্মাসিস্ট ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়ে যাব। সেখানে আমরা চারটি হাসপাতালের ব্যবস্থা করেছি- যেখানে ডায়ালিসিস ও হার্টের অপারেশন করা সম্ভব হবে। হজসেবার জন্য আমরা একটি অ্যাপস তৈরি করেছি। ২০ এপ্রিল সেটির উদ্বোধন হবে। হাজীরা মোবাইলে টিপ দিয়ে তার লাগেজ কোথায় তা জানতে পারবেন অ্যাপসের মাধ্যমে। হজে দিনের কী কী আমল ও কর্মসূচি তা-ও জানা যাবে। হজ সিস্টেমকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সব হাজীকে ইসলামী ব্যাংক থেকে কার্ড দেওয়া হবে। এতে কারো সঙ্গে করে টাকা নিতে হবে না। এই কার্ড দিয়ে সৌদি আরবের যেকোনো এটিএম বুথ থেকে রিয়াল উঠানো যাবে। মার্কেটে কেনাকাটা করা যাবে। দেশের ব্যবহৃত মোবাইল সিমকে রুমিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্বল্প ব্যয়ে মক্কা, মদিনা ও জেদ্দায় দেশি সিম ব্যবহার করা যাবে। হাজীদের সেবার জন্য সৌদিতে অধ্যয়নরত ছাত্রসহ লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে।’
টিএ/


মন্তব্য করুন