© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ওয়াক্ফ সংশোধনী আইন ২০২৫-এর বিরুদ্ধে ওয়াইসির আন্দোলনের ঘোষণা

শেয়ার করুন:
ওয়াক্ফ সংশোধনী আইন ২০২৫-এর বিরুদ্ধে ওয়াইসির আন্দোলনের ঘোষণা

ছবি : সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:০৬ এএম | ২০ এপ্রিল, ২০২৫

<div><div><span>ওয়াক্ফ সংশোধনী আইন ২০২৫-এর বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিয়ে ভারতের সর্বভ...

ওয়াক্ফ সংশোধনী আইন ২০২৫-এর বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিয়ে ভারতের সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তিনি বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকরের পায়ের ধুলোরও যোগ্য নন।’

১৯ এপ্রিল, শনিবার, হায়দরাবাদের দারুসসালাম-এ এক জনসভায় ওয়াইসি এই আইন বাতিল করতে কৃষক আন্দোলনের মতো দীর্ঘ লড়াই চালানোর ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘এই আইন কার্যকর হওয়ার পর মাত্র এক মাসেই উত্তর প্রদেশে ৫০০টি ওয়াক্ফ সম্পত্তিকে সরকারি সম্পত্তি ঘোষণা করা হয়েছে। এটি শুধুমাত্র সূচনা।’

ওয়াইসি আরও বলেন, ‘এআইএমআইএম সুপ্রিম কোর্টের তিন তালাক ও বাবরি মসজিদ রায়কে সম্মান জানালেও, সেগুলিকে তারা 'অব্যর্থ' মনে করে না।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘আরএসএস সংবিধানকে মান্য করে না, কেবল তার নাম ব্যবহার করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা ধর্মীয় যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে, তারা আসলে সংবিধানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাচ্ছে।’ তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের একের পর এক পদক্ষেপে সংখ্যালঘুদের উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন, যেমন নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ), বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (ইউএপিএ) এবং ইউনিফর্ম সিভিল কোড (ইউসিসি)-এর চাপ।

এছাড়া, দাউদি বোহরা সম্প্রদায়কে ‘জোর করে’ আইনসিদ্ধ করা নিয়ে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বলেন, ‘মোদি সরকার পুরো সম্প্রদায়কে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যদিও তারা এই আইনের আওতায় আসতে চায়নি।’

ওয়াইসি মুসলিম সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যারা মোদি সরকারের পক্ষে দাঁড়িয়ে এই আইন সমর্থন করছে, তারা যেন মনে রাখে, মৃত্যুর পর তাদের জিজ্ঞাসা করা হবে তারা আল্লাহর অনুসারী ছিলেন, নাকি মোদির।’ তিনি ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের উদাহরণ দিয়ে মুসলিম সমাজকে অনুপ্রাণিত হতে বলেন।

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের চেয়ারম্যান মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ রাহমানি এই আন্দোলনে আইনি ও সামাজিক লড়াই চালানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘আমরা আশা করি সুপ্রিম কোর্ট এই অন্ধকার আইন বাতিল করবে।’

এছাড়া, তিনি তরুণ সমাজকে সোশ্যাল মিডিয়ায় গঠনমূলক বিতর্কের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা মোকাবিলা করতে আহ্বান জানান।

জনসভায় দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন, এবং শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।


এসএস/এসএন

মন্তব্য করুন