অনুমতি ছাড়া চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী গ্রেফতার না করার সুপারিশ কমিশনের
ছবি : সংগৃহীত
১২:১০ এএম | ০৭ মে, ২০২৫
<div><div><div><div><div><span> </span></div><div>স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ
স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট বা অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কর্মীকে গ্রেফতার করা যাবে না।
সুপারিশে আরও বলা হয়েছে, বিএমডিসি, বিএনএমসি, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল এবং অ্যালাইড হেলথ প্রফেশনাল কাউন্সিলের অনুমোদন ছাড়া আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না। তবে তদন্ত শেষে নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, যা অভিযোগ দাখিলের ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
সোমবার (৫ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন পেশ করেন স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সদস্যরা। প্রতিবেদনের ১১ নম্বর সুপারিশে স্বাস্থ্য সুরক্ষার এ বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
চিকিৎসাসেবা প্রদানকারীদের নিরাপত্তা ও পেশাগত সুরক্ষার বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘সেবাগ্রহীতার অভিযোগ নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক ডিজিটাল অভিযোগ নিষ্পত্তি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে হবে। বিএমডিসি, বিএনএমসি, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল, আ্যালাইড হেলথ প্রফেশনাল কাউন্সিল ইত্যাদির আইনি ক্ষমতা ও কাঠামোকে আরও কার্যকর করতে হবে।
চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের জন্য মেডিকেল প্রফেশনাল ইন্স্যুরেন্স চালু করতে হবে, যাতে কর্মজীবনে আইনি ঝুঁকি বা অপ্রীতিকর ঘটনার ক্ষেত্রে তাদের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে একটি নির্দিষ্ট ইউনিট থাকবে, যেখানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সংরক্ষিত কিছু পুলিশ থাকবেন (যাদের মেডিকেল পুলিশ বলা যেতে পারে) যারা জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। হাসপাতাল ও ক্লিনিকে অনাকাঙ্ক্ষিত হামলা, হুমকি ও সহিংসতা প্রতিরোধে এই ইউনিট কাজ করবে।
সরকার ২০২৪ সালের নভেম্বরে ১২ সদস্যের স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন গঠন করে। কমিশনের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান।
কমিশনের সদস্য হিসেবে আরও আছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) জনস্বাস্থ্য ও হেলথ ইনফরমেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক মো. মুহাম্মদ জাকির হোসেন, পথিকৃৎ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার, শিশু নিউরো বিজ্ঞান বিভাগের নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নাইলা জামান খান, সাবেক সচিব এম এম রেজা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মুজাহেরুল হক, আইসিডিডিআরবি’র ডা. আজহারুল ইসলাম, স্কয়ার হাসপাতালের স্কয়ার ক্যান্সার সেন্টারের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, গ্রিন লাইফ সেন্টার ফর রিউম্যাটিক কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চের প্রধান পরামর্শক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, আইসিডিডিআরবি’র বিজ্ঞানী ডা. আহমেদ আহসানুর রহমান এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ওমায়ের আফিফ।
আরএ