© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বাজেট চাহিদা চেয়েছে সরকার

শেয়ার করুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বাজেট চাহিদা চেয়েছে সরকার

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২৪ পিএম | ০২ জুলাই, ২০২৫

<div><b>সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের...

সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দ চূড়ান্ত করতে চাহিদাপত্র চেয়েছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এরইমধ্যে একটি অফিস আদেশ জারি করে সব সরকারি স্কুল, কলেজ ও সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোকে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বাজেট তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাজেট চাহিদা না পৌঁছালে বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে অধিদপ্তর।

সম্প্রতি, অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (বাজেট) মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা একটি অফিস আদেশ নির্ধারিত ছক অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে হার্ডকপি আকারে তা ডাকযোগে অথবা বাহক মারফত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাজেট চাহিদার বিস্তারিত বিবরণী নির্ধারিত ছকে (১০ পৃষ্ঠার ফরম্যাট) পূরণ করতে হবে। এ ছক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট [www.dshe.gov.bd](http://www.dshe.gov.bd)–এর ফাইন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট উইংয়ের বিজ্ঞপ্তি অপশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে। বাজেট চাহিদা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ আগামী ১৫ জুলাই।

আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মূল বাজেট চাহিদার পাশাপাশি পিআরএল-এ (অবসরে যাওয়ার আগে ছুটি) যাচ্ছেন এমন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এবং শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা সংক্রান্ত বাজেট চাহিদার জন্য পৃথক ছকপত্র পূরণ করে পাঠাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাহিদাপত্র প্রেরণ না করলে বাজেট প্রণয়ন ও বরাদ্দ বিতরণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা অফিস বাজেট বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে অধিদপ্তর কোনো দায় নেবে না বলে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে।

এছাড়া, চাহিদাপত্র শুধুমাত্র লিগ্যাল সাইজের কাগজে এবং নির্ধারিত ছক অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। ভিন্ন বিন্যাস বা অসম্পূর্ণ তথ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিঠিটি জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, বিভিন্ন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, জোনাল প্রজেক্ট অফিসার এবং মাউশির অধীন সব আঞ্চলিক ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ওয়েবসাইটে প্রকাশের জন্য মাউশির ইএমআইএস সেলকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন