© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

গ্রিন শিপইয়ার্ড না হলে জাহাজভাঙা কারখানা বন্ধ করে দিতে হবে : নৌপরিবহন উপদেষ্টা

শেয়ার করুন:
গ্রিন শিপইয়ার্ড না হলে জাহাজভাঙা কারখানা বন্ধ করে দিতে হবে : নৌপরিবহন উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:০৭ পিএম | ২৬ জুলাই, ২০২৫

<div style="text-align: justify;"><span style="">যেসব জাহাজভাঙা কারখানা ম্যানুয়াল থেকে গ্রিন শিপইয়ার্

যেসব জাহাজভাঙা কারখানা ম্যানুয়াল থেকে গ্রিন শিপইয়ার্ডে উন্নীত হবে না, সেগুলো বন্ধ করে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেছেন, মাত্র ১৬টি জাহাজভাঙা কারখানা গ্রিন সার্টিফিকেট (সনদ) নিয়েছে। বাকিগুলো এখনো নেয়নি। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে যেসব জাহাজভাঙা কারখানা ম্যানুয়াল থেকে গ্রিন শিপইয়ার্ডে উন্নীত হবে না, সেগুলো বন্ধ করে দিতে হবে।

আজ শনিবার (২৬ জুলাই) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের একটি জাহাজভাঙা কারখানা পরিদর্শনে এসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শিপব্রেকিং ইয়ার্ড যেভাবে চলে এসেছে, সেখান থেকে অনেক দূর এগিয়েছে। তবে দেখতে হবে কতগুলো কারখানা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে টিকে থাকার মতো রয়েছে। কারখানায় কী কী সমস্যা রয়েছে, সেটি নির্ধারণের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে কমিটি করা হয়েছিল। ওই কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। কারখানাখাতের সঙ্গে জড়িত শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও আমরা বৈঠক করব।

উপদেষ্টা বলেন, ‘যখন সীতাকুণ্ডের মতো ছোট্ট একটি জায়গায় ১১৩টি শিপব্রেকিং ইয়ার্ড (জাহাজভাঙা কারখানা) হয়, তখন বিপদসংকুল হয়। এসব জাহাজভাঙা কারখানার কোনো জায়গায় স্থানান্তর করা যায় কি না, দেখতে হবে। ছোট ও মাঝারি সাইজের জাহাজ এসব কারখানায় আনা গেলেও বড় জাহাজ এখানে আনা যাবে না। এতদিন বিষয়টাতে নজর দেওয়া হয়নি। এখন নজর দেওয়ার বিষয়টি রয়েছে।’


পিএ/টিকে 

মন্তব্য করুন