© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত এখন জেলেনস্কির ওপর নির্ভর করছে: ট্রাম্প

শেয়ার করুন:
যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত এখন জেলেনস্কির ওপর নির্ভর করছে: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৪৮ এএম | ১৬ আগস্ট, ২০২৫

<div><div style="text-align: justify; ">ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওপর এখন যুদ্ধবি

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওপর এখন যুদ্ধবিরতি নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হবে।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) আলাস্কায় পুতিনের সাথে বৈঠকের পর ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এখন, বিষয়টা (যুদ্ধবিরতি) আসলেই প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির ওপর নির্ভর করছে। আমি ইউরোপীয় দেশগুলোকেও বলব, তাদের কিছুটা জড়িত হতে হবে। তবে এটি জেলেনস্কির ওপর নির্ভর করছে ... এবং যদি তারা চান, আমিও পরবর্তী বৈঠকে থাকব।’

এর আগে প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতির জন্য সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন ট্রাম্প ও পুতিন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি। ভ্লাদিমির পুতিন স্বীকার করেন, ইউক্রেন যুদ্ধ পুরো বিশ্বে কোনো সুফল বয়ে আনেনি। যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে রাশিয়ার সম্পর্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পুতিন বলেন, রক্তপাত বন্ধে সবাইকে স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। আলোচনার অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করতে ইউক্রেন ও ইউরোপীয় নেতাদের যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র, উসকানি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান রুশ প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পকে মস্কো সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।

পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ন্যাটোর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন বলে জানান ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি বিশ্বাস করি আমাদের খুব ফলপ্রসূ একটি বৈঠক হয়েছে। অনেক বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি, বলব বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, তবে কয়েকটি বড় বিষয়ে এখনো পুরোপুরি পৌঁছানো যায়নি, কিন্তু কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। তাই চুক্তি হবে তখনই, যখন আসলেই চুক্তি হবে।

সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে খুব ভালো কথা হয়েছে। আমরা আগেও বারবার এবং খোলাখুলিভাবে টেলিফোনে কথা বলেছি। মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও রাশিয়ায় বেশ কয়েকবার সফর করেছেন। আর আমাদের সহকারী ও পররাষ্ট্রনীতি বিভাগের প্রধানরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বিমান দুটি আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজ শহরে মার্কিন যৌথ সামরিক ঘাঁটিতে এসে পৌঁছালে সেখানে ভ্লাদিমির পুতিনকে অভ্যর্থনা জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে ট্রাম্পের আমন্ত্রণে তার গাড়িতে করেই এক সঙ্গে সম্মেলন স্থলে রওনা হন দুই শীর্ষ নেতা।

এদিকে, ট্রাম্প-পুতিনের শীর্ষ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে না রাখায় অ্যাঙ্কোরেজ শহরে বিক্ষোভ করে ইউক্রেনীয়রা।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এরপর শুরু হয় যুদ্ধ। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর ধরে চলমান যুদ্ধে দুই দেশের প্রায় ১০ লাখেরও বেশি সামরিক-বেসামরিক ব্যক্তি হতাহত হন।

কেএন/টিএ

মন্তব্য করুন