© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ই-স্পোর্টস এখন শুধু বিনোদন নয়, একটি সম্ভাবনাময় পেশা: ক্রীড়া উপদেষ্টা

শেয়ার করুন:
ই-স্পোর্টস এখন শুধু বিনোদন নয়, একটি সম্ভাবনাময় পেশা: ক্রীড়া উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৫৩ পিএম | ২৬ আগস্ট, ২০২৫

<div style="text-align: justify; "><span>বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দিগন্তের সূচনা হচ্ছে। সরকারিভ...

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দিগন্তের সূচনা হচ্ছে। সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর এবার ই-স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে শুরু করে দিয়েছে কাজও।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় ই-স্পোর্টসকে বিনোদনের বাইরে একটি সম্ভাবনাময় পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীবন ভূঁইয়া।


গত ১৩ জুলাই সরকার ই-স্পোর্টসকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়াখাতের একটি স্বীকৃত শাখা হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এই খাতের কাঠামো উন্নয়ন, নীতিমালা প্রণয়ন এবং অংশীজনদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবারের মতবিনিময় সভায় ই-স্পোর্টস খাতের বিভিন্ন অংশীজন, গেমিং সংগঠন, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

সভায় মূলত তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়:
ই-স্পোর্টস নীতিমালা প্রণয়ন: গেমিং সংক্রান্ত নিরাপত্তা, অংশগ্রহণের ন্যূনতম মানদণ্ড ও প্রতিযোগিতার কাঠামো নির্ধারণে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ই-স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন গঠন: জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আওতায় আনুষ্ঠানিকভাবে একটি স্বতন্ত্র ও প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠন গঠনের কাজ শুরু হয়েছে, যা ই-স্পোর্টসের সার্বিক উন্নয়ন, প্রতিযোগিতা ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করবে।

সার্বিক রূপরেখা ও অংশীদারিত্ব: এ খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বে বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

সভায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘ই-স্পোর্টস এখন শুধু বিনোদন নয়, এটি একটি সম্ভাবনাময় পেশা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার মঞ্চ। আমাদের তরুণরা যাতে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে, সেই প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করতে হবে।’

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মতবিনিময় সভা নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে ই-স্পোর্টস সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে আলোচনায় সম্পৃক্ত করা হবে। বাংলাদেশের প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণদের জন্য এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন কর্মসংস্থান, আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের সম্ভাবনা বাড়াবে।

ইউটি/টিএ


মন্তব্য করুন