© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কদমতলীতে প্রেমিকার মা-বাবার সামনে তরুণের আত্মহত্যা

শেয়ার করুন:
কদমতলীতে প্রেমিকার মা-বাবার সামনে তরুণের আত্মহত্যা
own-reporter
০৮:৩১ পিএম | ১২ অক্টোবর, ২০১৯

বন্ধুকে নিয়ে রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যান মো. নিরব নামে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণ। পরে প্রেমিকার মা-বাবার সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ায় নিরব। একপর্যায়ে তাদের সামনেই নিজের পেটে ছুরিকাঘাত করে বসেন ওই তরুণ। শনিবার এ ঘটনা ঘটে। নিরবের বন্ধু সিয়াম জানান, আজ তাকে সঙ্গে নিয়ে নিরব তার প্রেমিকার বাসায় যান। সেখানে সিয়ামকে একটু দূরে রেখে নিরব প্রেমিকার বাসার কাছে যান। সেখানে প্রেমিকার বাবা-মায়ের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে নিজের পেটে ছুরিকাঘাত করেন। এ অবস্থায় নিরবকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান সিয়াম। সেখানে থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর দুইটার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বন্ধুকে নিয়ে রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যান মো. নিরব নামে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণ। পরে প্রেমিকার মা-বাবার সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ায় নিরব। একপর্যায়ে তাদের সামনেই নিজের পেটে ছুরিকাঘাত করে বসেন ওই তরুণ। শনিবার এ ঘটনা ঘটে।

নিরবের বন্ধু সিয়াম জানান, আজ তাকে সঙ্গে নিয়ে নিরব তার প্রেমিকার বাসায় যান। সেখানে সিয়ামকে একটু দূরে রেখে নিরব প্রেমিকার বাসার কাছে যান। সেখানে প্রেমিকার বাবা-মায়ের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে নিজের পেটে ছুরিকাঘাত করেন। এ অবস্থায় নিরবকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান সিয়াম। সেখানে থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর দুইটার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মো. মতি মিয়ার ছেলে নিরব। তিনি ইসলামপুরে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করতেন। আর থাকতেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অধীন কাঠপট্টি নদীপাড়ে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে একটি মেয়ের সঙ্গে নিরবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটির বাসার সামনে গিয়ে পেটে ছুরিকাঘাত করে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এ ছাড়া মৃত্যুর অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা তা তদন্তের পর বলা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহাগ রানা।

 

টাইমস/এসআই

মন্তব্য করুন