• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭
চারদিনের রিমান্ডে সৈকত

সম্পর্ক ছিন্ন করতে না চাওয়ায় রুম্পাকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা!

সম্পর্ক ছিন্ন করতে না চাওয়ায় রুম্পাকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা!

নিজস্ব প্রতিবেদক০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৫:১১পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

প্রেমের সম্পর্কের বিরোধের জেরে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পাকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। রুম্পার কথিত প্রেমিক আব্দুর রহমান সৈকতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এমনটাই সন্দেহ করছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এদিকে রুম্পার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার আব্দুর রহমান সৈকতের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশিদ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে সৈকতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক শাহ মো. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আসামি সৈকতকে ঢাকার আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে শাহ মো. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস উল্লেখ করেন, ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোডের ৬৪/৪ বাসার সামনে অজ্ঞাত ২০-২২ বছর বয়সী এক নারী উপুড় অবস্থায় পড়ে ছিল। তখন স্থানীয় লোকজন মৃতদেহটি ওড়না দিয়ে ঢেকে রাখেন। অজ্ঞাত আসামি ওই নারীকে ঘটনাস্থলের আশপাশের তিনটি ভবনের যেকোনো একটি ভবন থেকে নিচে ফেলে দেন বলে মামলায় বলা হয়। এরপর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশ প্রথমে মামলাটি তদন্ত করলেও পরবর্তীতে তদন্তভার ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।

তদন্তকালে অজ্ঞাত ওই নারীর পরিচয় মেলে। ওই নারীর নাম রুবাইয়াত শারমিন। তিনি স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। আর আসামি সৈকত ওই ইউনিভার্সিটির বিবিএর ছাত্র ছিলেন। রুম্পা ও সৈকতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে সম্প্রতি তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়।

৪ ডিসেম্বর বিকেলে তারা স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বাইরে দেখা করেন। তখন কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা বলেন সৈকত। রুম্পা বারবার অনুরোধ করলেও সৈকত সম্পর্ক রাখতে রাজি হচ্ছিলেন না। এ নিয়ে দু’জনের মনোমালিন্য ও বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। এর জের ধরে ওই দিন রাত পৌনে ১১টায় সৈকত তার কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে রুম্পাকে ৬৪/৪ সিদ্ধেশ্বরীর বাড়িটির ছাদে নিয়ে যান। এক পর্যায়ে রুম্পাকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেন। প্রাথমিকভাবে এটাই জোর সন্দেহ করা হচ্ছে।

এদিকে ঘটনার পরদিন পুলিশ বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা করে। পরে শনিবার রাতে সৈকতকে আটক করে ডিবিতে নেয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার তাকে রমনা থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

 

টাইমস/এইচইউ

আমার মেয়ের হত্যাকাণ্ডের পেছনে কিছু তরুণের হাত রয়েছে: রুম্পার বাবা

আমার মেয়ের হত্যাকাণ্ডের পেছনে কিছু তরুণের হাত রয়েছে: রুম্পার বাবা

তার মেয়ের হত্যাকাণ্ডের পেছনে কিছু তরুণের হাত রয়েছে এবং কয়েকটি