যশোরে অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধার, আটক ৭  

যশোরে অপহৃত এক ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণকারী চক্রের সাত সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

রোববার রাতে শহরের মাইকপট্টি এলাকার একটি বাড়ি থেকে অপহৃত কহিদুল ইসলামকে উদ্ধার করে যশোর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার দুপুরে যশোর ডিবি কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিবির এসআই মফিজুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

আটককৃতরা হলেন- যশোর শহরের জেল রোড এলাকার রফিকুল ইসলামের জাহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের ইয়াকুব আলী বিশ্বাসের ছেলে মো. নয়ন, পাবনার ঈশ্বরদী থানার পিয়ারখালী গোরস্থানপাড়ার জয়নাল আবেদিনের ছেলে নূর ইসলাম ওরফে সনি, যশোর সদরের শেখহাটি বাবলাতলা এলাকার মোসলেম আলীর ছেলে রাব্বি হোসেন ওরফে সাদ্দাম, যশোর শহরের সার্কিট হাউজ পাড়ার হোসেন আলী গাজীর ছেলে গোলাম রসুল, শহরের মুড়লী আমতলী এলাকার হালিম ফকিরের ছেলে শওকত হোসেন ওরফে আপন, ষষ্ঠীতলা পিটিআই স্কুলের পিছনের বাসিন্দা শ্রীশ্যাম মণ্ডলের ছেলে মানিক মণ্ডল।

এসআই মফিজুল ইসলাম জানান, গত ৪ জানুয়ারি মোবাইল ফোনের মাদারবোর্ড ও সার্কিট বিক্রির কথা বলে ঝিনাইদহের কোটচাদপুরের ব্যবসায়ী কহিদুল ইসলামকে ডেকে এনে যশোর শহরের মাইকপট্টি এলাকার একটি বাড়িতে আটকে রেখে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। দুই দফায় তার কাছ থেকে ৯৯ হাজার ৬০০ টাকাও তারা হাতিয়ে নেয়। এরপর তারা আরও টাকা দাবি করতে থাকে।

বিষয়টি কহিদুল ইসলামের ভাই যশোর পুলিশকে মৌখিকভাবে জানালে ডিবি পুলিশের একটি দল রোববার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে কহিদুল ইসলামকে উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুজন এবং তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পরে আরও পাঁচজনকে আটক করা হয়।

মফিজুল ইসলাম জানান, যে বাসা থেকে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয় সেটার মালিক যশোর পৌরসভার কাউন্সিলর আলমগীর হোসেন। অভিযানের সময় অপহরণকারীদের কাছ থেকে সাড়ে ১৮ হাজার টাকা, তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, একটি ব্যাংকের চেক, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের পুরাতন ও নষ্ট মোবাইল ফোনের মাদারবোর্ড ও সার্কিট উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের ভাই কোতোয়ালি থানায় একটি অপহরণ মামলা করেছেন। আটক আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

টাইমস/এইচইউ

Share this news on:

সর্বশেষ

img
প্রথম ধাপে তিনটি ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমান পেয়েছে ইন্দোনেশিয়া Jan 26, 2026
img
ছেলের পর এবার কন্যা সন্তানের মা-বাবা হলেন ইকরা-ইয়াসির দম্পতি Jan 26, 2026
img
ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে বললেন জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস Jan 26, 2026
img
বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলুক, চেয়েছিল ভারত: রাজীব শুক্লা Jan 26, 2026
img
রুশ বাহিনীর হামলায় ২ দিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন কিয়েভের ১৩৩০টি অ্যাপার্টমেন্ট Jan 26, 2026
img
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ৬০০০ Jan 26, 2026
img
ভোট কর্মকর্তা চূড়ান্ত করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ইসির নির্দেশ Jan 26, 2026
img
‘হুট করে ভাইরাল হয়ে হারিয়ে যেতে চাই না’ Jan 26, 2026
img
বেকার ভাতা দিয়ে যুবকদের অপমান করতে চাই না : ডা. শফিকুর রহমান Jan 26, 2026
img
সিরিয়ার বিমানবন্দর থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে রাশিয়া Jan 26, 2026
img
দুঃখ লাগে, বর্তমানে মেয়েরাই মেয়েদের বেশি ট্রল করে : বুবলী Jan 26, 2026
img
মেহেরপুর জামায়াত আমিরের গাড়ি থেকে অস্ত্রসহ আটক ৩ Jan 26, 2026
img
নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে একটি পক্ষ উঠেপড়ে লেগেছে: তারেক রহমান Jan 26, 2026
img
রাজশাহী ও বগুড়াতে বিপিএল আয়োজন নিয়ে মুশফিকের মন্তব্য Jan 26, 2026
img
প্রকাশ্য অপমান! সারাকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে ওরি Jan 26, 2026
img
টাঙ্গাইলে হাসপাতালের নারী ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা, ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক Jan 26, 2026
img
চব্বিশে হয়েছে বুলেট বিপ্লব, এবার হবে ব্যালট বিপ্লব: জামায়াত আমির Jan 26, 2026
img
ইইউ পর্যবেক্ষক দলের কাছে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে পাটওয়ারীর অভিযোগ Jan 26, 2026
img
প্র্যাকটিস ম্যাচ শুরু হলো, ইসির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ : হাসনাত আব্দুল্লাহ Jan 26, 2026
img
আমি আইসিসির আম্পায়ার, বিশ্বকাপ বয়কটের খবর সত্য নয়: সৈকত Jan 26, 2026