• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০, ১৮ চৈত্র ১৪২৬
ঘরে থাকার বিকল্প নেই

বিভাগীয় শহরে হবে করোনা পরীক্ষা: ডিজিএইচএস

বিভাগীয় শহরে হবে করোনা পরীক্ষা: ডিজিএইচএস

নিজস্ব প্রতিবেদক২৩ মার্চ ২০২০, ০৫:৪৩পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। জেলা-উপজেলা লকডাউন, জনসমাগম ও দেশে-বিদেশী নাগরিকের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাসহ সুরক্ষামূলক কাজ ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। এবার করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য সরকার সব বিভাগীয় শহরের জন্য সাতটি পিসিআর মেশিন আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে কর্মরত ল্যাব টেকনিশিয়ানের সংখ্যা জানানোর জন্য নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সোমবার ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসের (ডিজিএইচএস) একটি সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।

ডিজিএইচএস এর মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে পিসিআর বসানো হবে। তাড়াতাড়িই এসব পিসিআর চালানোর জন্য টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এছাড়া সরকার খুব দ্রুত আরও কিছু টেকনিশিয়ান নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছে।

তিনি আরও জানান, দেশে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য শুধুমাত্র জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) কাজ করে যাচ্ছিল। কিন্তু যেকোন সময় দেশে করোনা পরিস্থিতি মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছতে পারে, এই আশঙ্কায় সরকার বিভাগীয় শহরগুলোতে পিসিআর বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

করোনা ভাইরাস বিষয়ে ডিজিএইচএসের সাবেক পরিচালক বেনজির আহমেদ বলেন, করোনাভাইরাসের মত মহামারী নিয়ন্ত্রণের সব থেকে কার্যকর পদ্ধতি হলো ‘গৃহবন্দি’। যদি প্রত্যেকটি পরিবার তার বাড়ির সদস্যদের থেকে এ ভাইরাসের ছড়িয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তবেই করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

এদিকে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান জানান, করোনা নিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে বুঝার জন্য নজরদারি বাড়ানো দরকার। পরিস্থিতি খুব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি তড়িৎ ব্যবস্থা নেয়ার বিকল্প নেই।

মাহমুদুর রহমান বলেন, বিভিন্ন জায়গায় করোনার উপসর্গ থাকা রোগীদের পরীক্ষা ও নমুনা শনাক্ত করতে আইইডিসিআর অনীহা প্রকাশ করেছে বলে জানা যাচ্ছে। দেশের এমন সংকটকালে আইইডিসিআরের এ ধরণের তৎপরতা বেমানান। করোনার উপসর্গ পাওয়া মাত্রই যদি পরীক্ষা করা হয়, তবে ক্ষতি অনেক কম হবে।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় সর্দি কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে নারাজ ডাক্তাররা। অধিকাংশ চিকিৎসক পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট) না থাকার অজুহাতে রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসাও দিচ্ছেন না। এতে রোগী ও তাদের স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক আরও জোরদার হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন চিকিৎসক নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, সরকার এখন পর্যন্ত চিকিৎসকদের পিপিই নিশ্চিত করতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা তো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রস্তুতিহীন ভাবে কাজ করতে পারেনা। রোগীর চিকিৎসা যেমন প্রয়োজন, চিকিৎসকের জন্য ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জামও তেমনই গুরুত্বপূর্ণ।

এ ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা মোজাহেরুল হক বলেন, সরকার সেল্ফ কোয়ারেন্টিনে মানুষকে উৎসাহিত করছে। কিন্তু সবাই এটা আমলে নেবে না। কাজেই সরকারের উচিত হবে একটু কঠোরতা দেখানো। এছাড়া বিদেশ ফেরতদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে ইউপি সদস্যদের সহযোগিতা নিতে পারে সরকার। প্রান্তিক পর্যায় থেকে সক্রিয় সহযোগিতা পাওয়া গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

 

টাইমস/এসএন/এইচইউ

করোনা ধারণার চেয়েও ভয়ঙ্কর : নিউ ইয়র্ক গভর্নর

করোনা ধারণার চেয়েও ভয়ঙ্কর : নিউ ইয়র্ক গভর্নর

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কেন্দ্রস্থল নিউ ইয়র্ক। মঙ্গলবার অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর অ্যান্ড্রু

ছুটি ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়বে: প্রধানমন্ত্রী

ছুটি ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়বে: প্রধানমন্ত্রী

মরণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিপূর্ণভাবে ঠেকাতে সব ধরণের ছুটি (সরকারি-বেসরকারি) আরও

কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা হবে রোগটি থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তির রক্তে

কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা হবে রোগটি থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তির রক্তে

করোনাভাইরাস সংক্রমিত হবার পর যারা সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তাদের রক্তের

উক্তি প্রতিদিন

“ক্ষুধাতুর শিশু চায় না স্বরাজ, চায় দুটো ভাত একটু নুন”

“ক্ষুধাতুর শিশু চায় না স্বরাজ, চায় দুটো ভাত একটু নুন”

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ১৮৯৯ সালের ২৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিদ্রোহী কবি নামে খ্যাত। ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে নজরুলকে বাংলাদেশ সরকার নাগরিকত্ব প্রদান করে। একই বছরে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

মতামত

করোনা কি বিশ্বজুড়ে শ্রমিক শ্রেণীকে বিদ্রোহী করে তুলবে?

করোনা কি বিশ্বজুড়ে শ্রমিক শ্রেণীকে বিদ্রোহী করে তুলবে?

করোনাভাইরাসের মহামারী ছড়িয়ে পড়ার ফলে ইতিমধ্যে গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই পঞ্চমাংশ, বুধবার পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় সাড়ে আট লাখ। এই পরিস্থিতিতে সব থেকে বেশি ঝুঁকিতে আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি; বিশ্বের আপামর শ্রমিক শ্রেণী, খেটে খাওয়া দিনমজুর আর স্বল্প আয়ের লোকজন। দেশে দেশে কল কারখানাগুলি বন্ধ হয়ে পড়ছে, খেটে খাওয়া মানুষের আয়ের পথ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্র কর্তৃক ঘোষিত গৃহবন্দীর ফলে ঘরে আটকে থাকতে হচ্ছে দিন এনে দিন খাওয়া এসব লোকের।

জাতীয়

বাড়ির মালিকদের সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

বাড়ির মালিকদের সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

করোনাভাইরাসের কারণে শ্রমিকদের বাড়িভাড়া বিবেচনা করার জন্য বাড়ির মালিকদের সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। মঙ্গলবার মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

আন্তর্জাতিক

গণহারে মাস্ক ব্যবহার বন্ধ করুন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

গণহারে মাস্ক ব্যবহার বন্ধ করুন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

গণহারে মাস্ক পরা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটি জানিয়েছে, সবাই গণহারে মাস্ক পরার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম বিশ্বব্যাপী বেড়ে যেতে পারে। ফলে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যারা রোগাক্রান্ত অথবা যারা চিকিৎসা সেবা প্রদানের সঙ্গে জড়িত তারাই শুধু মাস্ক ব্যবহার করুন। অন্যদের মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তা নেই।

বিনোদন

সুরে সুরে করোনা প্রতিরোধের নিয়ম শোনাবেন মমতাজ

সুরে সুরে করোনা প্রতিরোধের নিয়ম শোনাবেন মমতাজ

কণ্ঠশিল্পী ও সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। এবার করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ডাক দিলেন তিনি। ব্র্যাকের উদ্যোগে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে গানটি গেয়েছেন এই শিল্পী।