© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বন্যায় ৮ জনের মৃত্যু, পানিবন্দি সাড়ে ২২ লাখ মানুষ

শেয়ার করুন:
বন্যায় ৮ জনের মৃত্যু, পানিবন্দি সাড়ে ২২ লাখ মানুষ
own-reporter
০৪:৫৩ পিএম | ১৬ জুলাই, ২০২০

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান জানিয়েছেন, দেশে চলমান বন্যায় এ পর্যন্ত ১৮টি জেলার ৯২টি উপজেলার ৫৩৫টি ইউনিয়ন আক্রান্ত হয়েছে। বন্যায় ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৩৭৬টি পরিবারের ২২ লাখ ৪৬ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। এছাড়া বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন ৮ জন। মারা যাওয়াদের মধ্যে জামালপুরে ৪ জন, লালমনিরহাট, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও টাঙ্গাইলে একজন করে রয়েছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান জানিয়েছেন, দেশে চলমান বন্যায় এ পর্যন্ত ১৮টি জেলার ৯২টি উপজেলার ৫৩৫টি ইউনিয়ন আক্রান্ত হয়েছে। বন্যায় ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৩৭৬টি পরিবারের ২২ লাখ ৪৬ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। এছাড়া বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন ৮ জন। মারা যাওয়াদের মধ্যে জামালপুরে ৪ জন, লালমনিরহাট, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও টাঙ্গাইলে একজন করে রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলে আমরা আশা করছি। কারণ নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে, যেসব নদীন পানি বাড়ছে সেগুলোর পানি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কমতে শুরু করবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি স্থিতিশীল রয়েছে। অপরদিকে যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি কমতে শুরু করবে এবং যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল হবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত গঙ্গা-পদ্মার নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। কুশিয়ারা ছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনার প্রধান নদীগুলোর পানি কমছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ ও কুড়িগ্রাম জেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হতে পারে। অপরদিকে গাইবান্ধা, বগুড়া, জামালপুর, নাটোর ও নওগাঁ জেলার বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, রাজবাড়ী ও ঢাকার নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে।

আশ্রয়কেন্দ্রে আনসার, গ্রাম পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক ও এনজিও প্রতিনিধিরা কাজ করছেন জানিয়ে তিনি জানান, বেশি বন্যাক্রান্ত ১২ জেলায় এক হাজার ৫৪৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে ৩০ হাজার ৭০৫ জন মানুষ এবং ৫৬ হাজার ৩১টি গবাদিপশু আশ্রয় নিয়েছে। ৫৯৬টি মেডিকেল টিম গঠন করা হলেও এর মধ্যে ১৯৭টি টিম কাজ করছে।

বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ বিষয়ে তিনি বলেন, বন্যাদুর্গত জেলাগুলোতে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৮৫০ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এক কোটি ৯১ লাখ টাকা। শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৮২২ প্যাকেট। শিশুখাদ্য কেনা বাবদ ২১ লাখ ও গো-খাদ্য কেনা বাবদ ২১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. মোহসীন উপস্থিত ছিলেন।

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন