© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শ্বশুরবাড়ির বারান্দা থেকে পড়ে এমপি পুত্রের রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যাকান্ড

শেয়ার করুন:
শ্বশুরবাড়ির বারান্দা থেকে পড়ে এমপি পুত্রের রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যাকান্ড
own-reporter
০৩:২৩ পিএম | ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

রাজধানীতে ৯ তলা ভবনের বারান্দা থেকে লাফিয়ে পড়ে সাবেক এমপি শহিদুল ইসলামের ছেলে ব্যারিস্টার আসিফ ইমতিয়াজ খান জিসাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃতের পরিবারের দাবি, হত্যা করার পরে আসিফকে ভবন থেকে ফেলে দিয়েছে তার স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এনিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আসিফের বাবা শহিদুল ইসলাম ১৯৮৬-৯০ সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুঁচি-কামারখন্দ) আসনের এমপি ছিলেন।

রাজধানীতে ৯ তলা ভবনের বারান্দা থেকে লাফিয়ে পড়ে সাবেক এমপি শহিদুল ইসলামের ছেলে ব্যারিস্টার আসিফ ইমতিয়াজ খান জিসাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃতের পরিবারের দাবি, হত্যা করার পরে আসিফকে ভবন থেকে ফেলে দিয়েছে তার স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এনিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আসিফের বাবা শহিদুল ইসলাম ১৯৮৬-৯০ সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুঁচি-কামারখন্দ) আসনের এমপি ছিলেন।

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর কলাবাগান থানাধীন কাঁঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ১৬৩ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যারিস্টার আসিফকে ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্র বলেন, নিহতের বাসায় গিয়ে তাঁর বাবা-স্ত্রীসহ স্বজনদের বক্তব্য শুনেছি। ব্যারিস্টার আসিফের স্ত্রী বলেছেন, আসিফ নিয়মিত মদ পান করতেন। গতরাতেও তিনি প্রচুর মদ পান করেন। এনিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে আসিফের মনমালিন্য হয়। পরে আসিফ ৯ তলা ভবনের বারান্দায় বসে থাকেন অনেকক্ষণ। শেষ রাতের দিকে তিনি বারান্দা থেকে লাফিয়ে পড়েন।

ওসি পরিতোষ বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।

আসিফ সিরাজগঞ্জ কামারখন্দ বাগবাড়ী এলাকার অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম খানের ছেলে। শহিদুল ইসলাম ১৯৮৬-৯০ মেয়াদে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি কামারখন্দ) আসনের এমপি ছিলেন। আসিফ ব্যারিস্টারি পাশ করে সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করছিলেন।

এঘটনায় আসিফের শ্যালক সাইমন শাহিদ নিশাদ গণমাধ্যমকে জানান, চার বছর আগে আসিফ তার বড় বোন সাবরিনা শাহিদ নিশিতাকে প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ে করেন। আসিফের পরিবার তখন সম্পর্কটি মেনে নেয়নি। এজন্য আসিফ রাজধানীর কাঁঠালবাগানে শ্বশুর বাড়িতেই থাকতেন। তাদের কোনো সন্তান নেই। আসিফের পরিবার থাকেন মিরপুরে।

নিশাদ আরও জানান, ব্যারিস্টার আসিফ ও সাবরিনার সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো। আসিফ মাদকাসক্ত ছিলেন। চার মাস উত্তরায় একটি রিহ্যাবেও ছিলেন তিনি।

এদিকে আসিফের বাবা সাবেক এমপি শহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, আসিফ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। মতিঝিলে দেশ ট্রেডিং করপোরেশনের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার ছিলেন। তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনই ভোরে খবর দেয় যে, আসিফের অবস্থা ভালো না, তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হয়েছে।

শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা হাসপাতালে গিয়ে আসিফকে মৃত দেখতে পাই। আসিফকে হত্যার পরে বারান্দা থেকে ফেলে দেয়া হয়েছে। সে আত্মহত্যা করতে পারে না। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।

 

টাইমস/এসএন

মন্তব্য করুন