© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

দাফনের ঠিক আগমুহূর্তে কেঁদে উঠল কন্যাশিশু

শেয়ার করুন:
দাফনের ঠিক আগমুহূর্তে কেঁদে উঠল কন্যাশিশু

প্রতিকী ছবি।

senior-reporter
০৫:৪০ পিএম | ১৬ অক্টোবর, ২০২০

দাফন করার জন্য সদ্য ভূমিষ্ঠ কন্যা শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় আজিমপুর কবরস্থানে। সেখানে দাফনের খরচ বেশি। শিশুটির দরিদ্র বাবার কাছে সেই টাকা নেই। তাই কম খরচে দাফন করার জন্য শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় রায়েরবাজার কবরস্থানে।

দাফন করার জন্য সদ্য ভূমিষ্ঠ কন্যা শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় আজিমপুর কবরস্থানে। সেখানে দাফনের খরচ বেশি। শিশুটির দরিদ্র বাবার কাছে সেই টাকা নেই। তাই কম খরচে দাফন করার জন্য শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় রায়েরবাজার কবরস্থানে।

রায়েরবাজার কবরস্থানে শিশুটিকে দাফন করার জন্য ৫০০ টাকা ফি জমা দেয়া হয়। তারপর শিশুটির দাফনের জন্য কবর খোঁড়ার কাজ শুরু হয়। এমন সময় শিশুটি নড়েচড়ে ওঠে, শুরু করে কান্নাকাটি। এরপর শিশুটিকে নিয়ে আবার ঢাকা মেডিকেলে ছুটে আসেন শিশুটির বাবা।

কন্যাশিশুটির বাবা ইয়াসিন জানান, ভোর পৌনে পাঁচটায় কন্যাশিশুটির জন্ম হয়েছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল থেকে দেওয়া হয় মৃত্যুর সনদ। পরে শিশুটিকে দাফন করার জন্য কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

ইয়াসিন আরো বলেন, স্ত্রী শাহিনুর বেগমকে গত বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করান তিনি। চিকিৎসকেরা জানান, শাহিনুরের উচ্চ রক্তচাপ আছে, সন্তান জন্ম না নেওয়া পর্যন্ত কমবে না। বুধবার রাতেই তাকে লেবার রুমে নিয়ে স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসবের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু প্রসব না হওয়ায় তাঁকে ১১০ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়। এরপর শুক্রবার ভোরে শিশুটির জন্ম হয়।

শিশুটি এখন চিকিৎসাধীন আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউতে)।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছেন, নবজাতকটি ভালো আছে। তাকে ভর্তি রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হবে। কেন এমন হয়েছে সেটি তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

মন্তব্য করুন