© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ম্যাচসেরা হওয়ার পর মুখ খুললেন সাইফ হাসান

শেয়ার করুন:
ম্যাচসেরা হওয়ার পর মুখ খুললেন সাইফ হাসান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:২৬ এএম | ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত খেললেও শেষদিকে কিছুটা এলোমেলো বাংলাদেশের দেখা মিলল। শেষ ওভারে জয়ের জন্য মাত্র ৫ রান প্রয়োজন ছিল, প্রথম বলেই জাকেরের দুর্দান্ত চারের মারে ম্যাচ টাই। গ্যালারিতে তখন জয় উদযাপনের চূড়ান্ত অপেক্ষা। কিন্তু পরের তিন বলে দুই উইকেট হারিয়ে সব থমকে গিয়েছিল যেন। যদিও বিপদ আর বাড়াতে দেননি নাসুম। স্নায়ুচাপ জয় করে সিঙ্গেলস নিয়েই দলের জয় নিশ্চিত করেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪ উইকেটের জয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোর শুরু করল বাংলাদেশ।

১৬৯ রানের চ্যালেঞ্জিং টার্গেট তাড়ায় শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অন্য প্রান্তে হাল ধরেন সাইফ হাসান। ৪৫ বলে ৬১ রানের সময়োপযোগী ইনিংস খেলেছেন। ম্যাচ শেষে সেরার পুরস্কারও তার হাতে উঠেন।

ম্যাচসেরা সাইফ বলেন,‘উইকেট পড়ার পর আমাদের প্ল্যান ছিল প্রতি আক্রমণ করার। ওদের স্পিনারদের ভালো সামলেছি। লিটন দা বুঝতে পারছিলেন পরের বল কেমন হবে। সেটাই আমাকে বলছিলেন। সফল হয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।’

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সুপার ফোর শুরু করা বাংলাদেশের চোখ যে ফাইনালে, সেটি জোর দিয়েই বলেছেন সাইফ, ‘এখানে আসার আগে সবার মধ্যে বিশ্বাস ছিল আমরা ফাইনাল খেলব। একটা ধাপ পেরিয়েছি। সামনে আরও দুটি ম্যাচ আছে। পরের ম্যাচেই এখন সব মনোযোগ।’



ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী পর্বে বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস বেশ কয়েকজনকে নিয়ে কথা বলেছেন। যাদের ভূমিকা ছিল অনবদ্য এই জয়ে। শুরুতেই ব্যাটিং ইউনিটকে নিয়ে লিটন বলেন, এশিয়া কাপের আগে আমরা কয়েকটি সিরিজ খেলেছিলাম, সেখানে লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছি। তাই জানতাম আমাদের ব্যাটিং ইউনিট ভালো অবস্থায় আছে।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আগ্রাসী মেজাজে ছিলেন লঙ্কান ব্যাটাররা। তবে বল হাতে কার্যকর ভূমিকায় দেখা গেছে মুস্তাফিজকে। ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেছেন। তাকে নিয়ে লিটন বলেন, আমরা জানি মুস্তাফিজ কতটা কার্যকর। উইকেটটাও দারুণ ছিল। মুস্তাফিজ আর তাসকিন ১৯তম ও ২০তম ওভারে ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেয়। একসময় মনে হচ্ছিল স্কোর ১৯০ হবে।

টাইগার ওপেনার সাইফকে নিয়ে লিটন বলেন, আমি জানি সাইফের এমন সামর্থ্য আছে, যে দলকে ম্যাচ জেতাতে পারে। আমরা আগেই ভেবেছিলাম সংযুক্ত আরব আমিরাতে ও ভালো ব্যাট করবে। ওর চরিত্র জানি, খেলার ধরনও জানি। এ ধরনের ম্যাচ তাড়া করে জিতলে পরের ম্যাচের জন্য বাড়তি অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়। তবে আবারও আমাদের সেরাটা খেলতে হবে। নতুন ম্যাচ, নতুন প্রতিপক্ষ নিজেদের সেরা খেলাটাই তুলে ধরতে হবে।

এমকে/টিকে

মন্তব্য করুন