গুটখা কিংবা পান-মশলা জাতীয় দ্রব্যের বিজ্ঞাপনী প্রচারের জেরে তারকাদের আইনি জটিলতায় জড়ানোর ঘটনা নতুন নয়। এর আগে অক্ষয় কুমার, অজন দেবগনকেও আইনি ঝামেলাই পড়তে হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় নতুন সংযোজন সালমান খানের নাম।
অভিনেতার বিরুদ্ধে রাজস্থানের কোটার ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা রাজস্থান হাইকোর্টের আইনজীবী ইন্দ্রমোহন সিং হানি।
সেই প্রেক্ষিতেই আদালতের কাছে সালমানের বক্তব্য, “ওটা গুটখা নয়, এলাচ।”
সালমানের আইনজীবী জানিয়েছেন, এই মামলা কনজিউমার কমিশনের আওতাভুক্ত নয়। তাছাড়া সালমান নিজে পানমশলার প্রস্তুতকারক কিংবা পরিষেবা প্রদানকারী নন, সেই প্রেক্ষিতে আইনিভাবে তাকে এই মামলায় জড়ানো অনুচিত।
তার সংযোজন, অভিযোগকারী অযথা সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে সালমানকে জড়িয়ে হেনস্তা করছেন।
আইনজীবী আদালতের কাছে জানালেন, সালমান তো গুটখা বা পান-মশলার বিজ্ঞাপন করেন না। ওটা রুপালি রাংতায় মোড়া এলাচ। যা গুটখা জাতীয় দ্রব্যের আওতায় পড়ে না। ফলত এই মামলা ভিত্তিহীন।
তবে সমস্যা এখানেই শেষ নয়, মামলাকারী বিজেপি নেতার আইনজীবীর দাবি, “আদালতের নথিপত্রে করা সই সালমানের নিজের নয়। তাই পরবর্তী শুনানিতে তাকে যেন সশরীরে হাজির থাকার নির্দেশ দেয় আদালত।”
এর আগে সালমানের পান-মশলার বিজ্ঞাপনের বিরোধিতা করে বিজেপি নেতা আদালতের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, “সালমান খান একজন জনপ্রতিনিধি। তাকে দেখে তার দর্শক-অনুরাগীরা তো বটেই, তরুণ প্রজন্মও প্রভাবিত হয়। তাই শিল্পী হিসেবে সমাজের প্রতি তার একটা দায়বদ্ধতা রয়েছে।
সেক্ষেত্রে কী করে সালমান এমন জিনিসের প্রচার করতে পারেন? এই বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এটি নাকি কেশরে ভরপুর পান-মশলা। কিন্তু প্রশ্ন, ১ কেজি কেশরের দাম যেখানে চার লাখ টাকা, সেখানে মাত্র ৫ টাকায় এই পান-মশলার প্যাকেট বিকোচ্ছে কীভাবে? সালমান তো পুরোপুরি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। আর গুটখা জাতীয় দ্রব্য স্বাস্থ্যের জন্যেও ক্ষতিকর। এর ফলে ফলে শরীরে ক্যান্সারও বাঁধতে পারে।”
সংশ্লিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের তরফে সালমানের জবাব চাওয়া হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতেই এবার ‘ভাইজানে’র হয়ে মুখ খুললেন তার আইনজীবী আশীষ দুবে।
এমকে/টিএ