৩৩ বছরের বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের উপ-কমিশনার পদে নন-ক্যাডার পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
উপ-কমিশনার পদে নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদোন্নতির মাধ্যমে এই বৈষম্য নিরসনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাকাএভ)।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আজ এক আদেশে সহকারী কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান চৌধুরীকে উপ-কমিশনার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো রাজস্ব। এনবিআরের মাধ্যমে আদায় করা মোট রাজস্বের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসে কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের মাঠপর্যায়ের পাঁচ হাজারেরও বেশি সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (ইন্সপেক্টর) এবং রাজস্ব কর্মকর্তা (সুপারিনটেনডেন্ট) সরাসরি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে।
তারা জানান, রাজস্ব আহরণে লক্ষ্য অর্জনের জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা আইন ও বিধি প্রয়োগে নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা ভাতা, রেশন, ঝুঁকিভাতা, ইউনিফর্ম, আবাসন, যানবাহন, বদলি নীতিমালা, প্রশিক্ষণ, উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার প্ল্যানিংসহ প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট ছাড়াই দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে নন-ক্যাডার কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ, চাকরি স্থায়ীকরণ, গ্রেডেশন, উচ্চতর গ্রেড, চলতি দায়িত্ব থেকে নিয়মিতকরণ এবং পদোন্নতিসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছিলেন। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে সংগঠনটি উল্লেখ করে, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু সমন্বিত গ্রেডেশন না থাকার কারণে নন-ক্যাডার কর্মকর্তারা যুগের পর যুগ উপ-কমিশনার পদে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত ছিলেন।
অবশেষে ৫ জানুয়ারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের উপ-কমিশনার পদে পদোন্নতির মাধ্যমে এই দীর্ঘদিনের বৈষম্যের অবসান ঘটে।
এজন্য অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অর্থ উপদেষ্টা, অর্থ সচিব, এনবিআর চেয়ারম্যান ও এনবিআর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানানো হয়।
এমআর/টিএ