গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে তিন পরীক্ষার্থীকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া একই অভিযোগে আরো তিন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ ও গোপালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রসহ জেলার বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে তাদের আটকের পর এ জেল-জরিমানা ও বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়।
গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাজাপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থীরা হলেন- গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের সেকেন্দার আলী মোল্যার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম, একই উপজেলার দয়াময় বিশ্বাসের মেয়ে রত্না বিশ্বাস এবং মাদারীপুর জেলার কদমবাড়ী গ্রামের সুবল রায়ের মেয়ে বিথিকা রায়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শোভন সরকার জানান, শুক্রবার জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে গোপালগঞ্জ জেলায় মোট ১২ হাজার ৫৬৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।
পরীক্ষা চলাকালে গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ ও গোপালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সন্দেহ হলে ওই তিন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে দেহ তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে অবৈধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাবলী শবনম, ‘কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহিন মিয়া ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারদীন খান প্রিন্স সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তাদের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে জরিমানা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের পরে কারাগারে পাঠানো হয়।’
এ ছাড়া পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে আরো তিন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এসকে/টিকে