ইরানের সরকারের ওপর হামলার আগে ‘শেষ বিকল্প’ হিসেবে দেশটির সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জোর দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ইরানে চলমান বিক্ষোভ এবং কর্তৃপক্ষের সহিংস দমন-পীড়নের জবাবে সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার আগে, দেশটির সরকারের সঙ্গে নতুন করে আলোচনার টেবিলে বসতে ট্রাম্পকে রাজি করানোর চেষ্টা করবেন ভ্যান্স। এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) তিনি ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।
দ্য জার্নাল-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানে চলমান পরিস্থিতির জবাবে যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নেবে, তা নিয়ে বিবেচনা করছেন ট্রাম্প।
তার বিবেচনার মধ্যে রয়েছে, ইরান সরকারের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ, বিরোধী পক্ষকে রাজনৈতিক সমর্থন প্রদান, সরকারের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু করা, অথবা ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় সামরিক অভিযান চালানো।
দ্য জার্নাল-এর সঙ্গে কথা বলা রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের দিকেই বেশি ঝুঁকে আছেন। তবে মঙ্গলবার অনুষ্ঠেয় বৈঠকে সব বিকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পরই তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
এদিকে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা’র একটি প্রতিবেদনে এক জ্যেষ্ঠ সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর জন্য মার্কিন বাহিনীর পরিকল্পনা ‘চূড়ান্ত বা অত্যন্ত অগ্রসর পর্যায়ে’ রয়েছে।
ওই কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানের জন্য সামরিক বিকল্পগুলো পরিস্থিতি ও ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাজানো হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের বাহিনী যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা, যেকোনো মিশন পরিচালনা এবং নিজেদের ও আমাদের স্বার্থ রক্ষা করতে প্রস্তুত রয়েছে।’
এমআর/টিএ