© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জনগণের চাহিদার কারণেই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী, মাঠ ছাড়ব না: খাইরুজ্জামান

শেয়ার করুন:
জনগণের চাহিদার কারণেই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী, মাঠ ছাড়ব না: খাইরুজ্জামান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৩৬ পিএম | ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
বাগেরহাট-৪ (মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা কাজী খাইরুজ্জামান শিপনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক শতাংশ সমর্থক ভোটারের তালিকায় ত্রুটির কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা যে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন, তার বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কাজী খাইরুজ্জামান শিপন বলেন, জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের চাহিদার কারণেই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে রয়েছি। এবং কোনো অবস্থাতেই মাঠ ছাড়ব না। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মাঠে থেকে রাজনীতি করছি। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবং ২০২০ সালের উপনির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে প্রার্থী ছিলাম।

তিনি অভিযোগ করেন, আমার নির্বাচনী এলাকা বাগেরহাট-৪ আসনে আওয়ামী লীগের একজন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যিনি জুলাই আন্দোলনসংক্রান্ত হত্যা মামলার আসামি এবং রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামি। সোমনাথ দে নামের ওই ব্যক্তি যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলার ১৩৮ নম্বর আসামি এবং সোনাডাঙ্গা থানার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলারও আসামি।

শিপন বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে না থাকায় এবং দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় একটি মহল এই অনিয়ম ঘটিয়েছে। তবে আমি তারেক রহমানের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখি এবং আশা করি, মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের অনুভূতি বিবেচনায় নিয়ে বিতর্কিত ওই ব্যক্তির মনোনয়ন বাতিল করা হবে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, দলীয় নেতাকর্মীদের চাহিদার কারণেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছি। এক শতাংশ সমর্থক ভোটারের তালিকায় দুইজনের স্বাক্ষর দেখাতে না পারায় মনোনয়ন বাতিল হয়েছিল। তবে আপিলে সেই দুই ভোটারকে হাজির করা হয়েছে এবং তারা বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে হত্যার মামলার আসামি ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামিকে কোনো অবস্থাতেই বাগেরহাট-৪ আসনে প্রার্থী হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না। দল যদি ওই ব্যক্তিকে বহিষ্কার না করে, তাহলে আমি জনগণের চাহিদা অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচনে থাকব।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে ৩৮১ থেকে ৪৮০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই শুনানি বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছে ইসি।

এসকে/এসএন

মন্তব্য করুন