দীর্ঘ ১ মাস ২০ দিন বন্ধের পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে শুল্কমুক্ত ৭৭ টন চাল আমদানি করা হয়েছে। আমদানি অনুমতি পাওয়ার তিন দিনের মাথায় চাল আমদানি শুরু করেছে বন্দরের আমদানিকারকরা।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ভারত থেকে ডিপি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের দুটি চালবোঝাই ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশের মধ্যে দিয়ে আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে গত বছরের ৩০ নভেম্বর সবশেষ চাল আমদানি হয়েছিল হিলি বন্দর দিয়ে।
হিলি স্থলবন্দরে স্থানীয় চালের বাজারের আজকের তথ্যমতে, প্রতিকেজি সম্পা কাটারি চাল বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৭০ থেকে ৭১ টাকা দরে, স্বর্ণা-৫ জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে।
অন্যদিকে আজ আমদানি করা চাল বন্দরে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি, যা বর্তমান দেশের বাজারের তুলনায় কেজিতে ৫ টাকা কম।
চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি রিন্টু কমল সরকার বলেন, আজ প্রথম ভারত থেকে দুটি ট্রাকে সম্পা কাটারি জাতের চাল আমদানি হয়েছে। চাহিদা থাকায় এসব আমদানিকৃত চাল বন্দরেই প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা দরে।
চাল আমদানি আরো বাড়লে দাম আরো কমে আসবে বলে জানান তিনি।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগোনিরোধের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, গত ১৮ জানুয়ারি অনুমতি দেওয়ার পর আজ থেকে আমদানিকারকরা ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু করেছে। আমদানিকৃত এসব চালের মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ছাড়করণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। বন্দরের ৩২ জন আমদানিকারক এখন পর্যন্ত ১৫ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছে বলে তিনি জানান।
হিলি কাস্টমস শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ বাঁধন জামান বলেন, আজ ভারত থেকে দুই ট্রাকে ৭৭ টন চাল আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত চালগুলো ৪৫০ মার্কিন ডলারে শুল্কায়ণ করা হচ্ছে। পরে আরও একটি ট্রাকে ৩৭ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। দ্রুত বাজারজাত করণে আমদানিকারকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এমকে/টিএ