বালিগঞ্জে প্রসেনজিৎ- এর বাড়িতে বিজেপি নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ
ছবি: সংগৃহীত
০৭:০২ পিএম | ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
শনিবার টলিপাড়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নাম। বিষয়টি শুরু হয় তখন, যখন বালিগঞ্জের তাঁর বাড়িতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদারকে। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা ও অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। এই সাক্ষাতে শুধু সৌজন্য নয়, সুকান্ত মজুমদার বুম্বাদার হাতে অযোধ্যা থেকে আনা রামলালার একটি মূর্তিও উপহার দেন।
ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় জল্পনা- সামনেই ভোট, তাই কি এর পেছনে কোনও রাজনৈতিক বার্তা আছে? নেটপাড়া থেকে টলিপাড়া, সব জায়গায় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে এই সাক্ষাত। অনেকেই ভাবতে থাকেন, ভোটের আগে প্রসেনজিৎকে ঘিরে নতুন কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না।
যদিও এই জল্পনার ইতি টানতে তৎপর হন সুকান্ত মজুমদার নিজেই। প্রসেনজিতের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, এই সাক্ষাতের সঙ্গে রাজনীতি কোনোভাবেই যুক্ত নয়।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার পর প্রসেনজিৎকে অভিনন্দন জানানোই তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল। তিনি বলেন, “সব কিছুর পিছনে রাজনীতি খুঁজবেন না। এটি একেবারেই রাজনৈতিক সাক্ষাৎ নয়। বুম্বাদা বাংলা সিনেমার মহীরুহ। গত ৪০ বছর ধরে তিনি বাংলা সিনেমাকে যে ভাবে সেবা করেছেন, তার স্বীকৃতি হিসেবেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করেছেন। এটি বাংলার গর্ব।”
জানা গেছে, সাক্ষাতের সময় প্রসেনজিত ও সুকান্তর আলোচনা মূলত সিনেমা নিয়েই সীমাবদ্ধ ছিল। প্রসেনজিতের সাম্প্রতিক ছবির সাফল্যের কথাও উঠে আসে। সুকান্ত আরও বলেন, পদ্মশ্রী প্রাপ্তদের প্রতি প্রতিবছরই শুভেচ্ছা জানানোর চেষ্টা করেন তারা। তিনি বলেন, “বুম্বাদা রাজনীতির ঊর্ধ্বে। তাঁকে রাজনীতির সঙ্গে জড়াবেন না।”
সব মিলিয়ে ভোটের আবহে এই সাক্ষাত ঘিরে যতই জল্পনা তৈরি হোক, বিজেপি নেতার বক্তব্য অনুযায়ী, এটি নিছকই সৌজন্য এবং সম্মান জানানো পর্যন্তই সীমাবদ্ধ।
এসকে/টিএ