© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আ.লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে আমাদের ঘরে শান্তি ছিল না: নুরুল ইসলাম বুলবুল

শেয়ার করুন:
আ.লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে আমাদের ঘরে শান্তি ছিল না: নুরুল ইসলাম বুলবুল

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১৩ এএম | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে আমাদের ঘরে শান্তি ছিল না। পুলিশ বসতঘরে ঢুকে তন্ন তন্ন করে খুঁজে বের করে ধরে নিয়ে যেত। সেই ভয়াবহ দিনগুলোর কথা আজও মনে পড়লে শিউরে উঠি।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষ্ণগোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ছোট ভাইকে গ্রেফতার করে চার মাস গুম করে রাখা হয়েছিল। আমরা ভেবেছিলাম তাকে আর ফিরে পাব না। কিন্তু চার মাস পর তাকে পাওয়া যায়। আমার প্রতিটি ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছিল। অর্ধশত মিথ্যা মামলা মাথায় নিয়ে আমি সাড়ে ১৬ বছর মানবেতর জীবন যাপন করেছি।’

নুরুল ইসলাম বুলবুল আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন আমরা সাড়ে ১৬ বছর নিজ বাড়িতে ঘুমাতে পারিনি। পুলিশ বসতঘরে ঢুকে তল্লাশি চালিয়ে যাকে পেত তাকে ধরে নিয়ে যেত। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয়, বাবার মৃত্যুতে আমাকে জানাজায় অংশ নিতে দেয়া হয়নি। ভাইয়ের জানাজায় অংশ নিতে পারলেও দাফন কার্যক্রম শুরুর আগেই ৬-৭টি পুলিশের গাড়ি আমার বাড়িতে এসে হাজির হয়।’

দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি কখনো এলাকার মানুষের পাশ থেকে সরে যাননি বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আগামীতেও জনগণের অধিকার আদায়ে কাজ করব।’

সমাবেশে স্থানীয় বিএনপির ২৭ জন কর্মী নুরুল ইসলাম বুলবুলের হাতে ফুল দিয়ে জামায়াতে যোগ দেন।

জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও সাবেক জেলা আমির রফিকুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক লতিফুর রহমান, সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবু জার গিফারি, নায়েবে আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুখলেসুর রহমান, সেক্রেটারি আবু বক্কর, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমির শফিক এনায়েতুল্লাহ, সেক্রেটারি তহুরুল ইসলাম সোহেল ও সদর শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল আজিজ প্রমুখ।

এমআর/টিএ 

মন্তব্য করুন