বাংলাদেশ একমাত্র তারেক রহমানের হাতেই নিরাপদ: আবদুল আউয়াল মিন্টু
ছবি: সংগৃহীত
০৮:৫৯ এএম | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
এই মুহূর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব একমাত্র তারেক রহমানের হাতেই নিরাপদ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফেনীর সোনাগাজী সরকারি মোহাম্মদ ছাবের মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, তারেক রহমান পিতৃকুল ও মাতৃকুলের দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশ পরিচালনা করতে পারবেন। দেশ পরিচালনায় তিনি ছাড়া আর কারো অভিজ্ঞতা নাই। তাই ১২ তারিখের নির্বাচন ঠিক করবে বাংলাদেশ কোন দিকে যাবে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নাকি মারামারি হানাহানির দিকে যাবে। তারেক রহমানকে ক্ষমতার বসাতে পারলে দেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে। উন্নয়ন হবে দলমত নির্বিশেষে।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, তাহাজ্জুদ ও ফজরের পর ভোট কেন্দ্রে যাবেন। ভোট কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। ভোটের রেজাল্ট স্লিপ নিয়ে বাড়ি ফিরতে হবে। কেউ যেন অপকৌশল করে ভোটের অধিকার হরণ করতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে যদি একটা সুযোগ দেন। জীবনের বাকি সময়টুকু আপনাদের সঙ্গে কাটাতে চাই। লালপুরে ফ্লাইওভার নির্মাণ, সোনাগাজীতে গ্যাস সংযোগ, সেচ ব্যবস্থা, খাল খনন, একটি মহিলা কলেজ নির্মাণ, সোনাগাজী সরকারি ডিগ্রি কলেজে বিভিন্ন বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু রাস্তা-ঘাট ও চিকিৎসাসহ সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হবে।
তিনি বলেন, আপনারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে এলাকার উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা করা হবে। এলাকার উন্নয়ন ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে বলে জানান মিন্টু।
সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন বাবলুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সৈয়দ আলম ভূঞার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য
আবদুল লতিফ জনি, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট শাহানা আক্তার শানু, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক গাজী হাবীব উল্যাহ মানিক, আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারি প্রমুখ।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সম্মান বাঁচাতে ফেনী-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুকে বিপুল ভোটে জয়ী করার অঙ্গীকার করেছেন দলের নেতাকর্মীরা।
কেএন/টিকে