© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যানের পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগদান

শেয়ার করুন:
জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যানের পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগদান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৪২ এএম | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় জাতীয় পার্টির (জাপা) ভাইস চেয়ারম্যান ও গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা পাঁচ শতাধিক নেতা কর্মী নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার ডাকবাংলা বাজারসংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এক সভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।

স্থানীয় রাজনীতিতে ঘটনাটিকে বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। দীর্ঘদিন ধরে আতাউর রহমান আতার নেতৃত্বে সাঘাটায় জাপার শক্ত অবস্থান ছিল। তাঁর যোগদানের মধ্য দিয়ে সেখানে দলটির সংগঠনে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

আতাউর রহমান আতার সঙ্গে সাঘাটা উপজেলা জাপার সদস্যসচিব মমিতুল হক নয়নসহ দলটির পাঁচ শতাধিক নেতা কর্মী বিএনপিতে যোগ দেন। আতাউর রহমান আতা একাধারে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এবং সাঘাটা উপজেলা জাপার সভাপতি ছিলেন।

সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও ৬ নম্বর ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ তুলিপের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ফারুক আলম সরকার। তিনি নবাগতদের ফুল দিয়ে দলে বরণ করেন।

সভায় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল নবী টিটুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল কবির রাঙ্গা। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য কামরুজ্জামান সোহাগসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

আতাউর রহমান আতা বলেন, ‘জাতীয় পার্টিতে আমাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। দলটির নীতিনির্ধারণে ঘন ঘন পরিবর্তন ও বিভিন্ন সিদ্ধান্তে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ (সাঘাটা–ফুলছড়ি) আসনে আমাকে মনোনয়ন না দিয়ে বহিরাগত শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে মনোনয়ন দেওয়াও দলত্যাগের একটি কারণ।’ পাশাপাশি সারা দেশে বিএনপির গণসমর্থন বৃদ্ধির বিষয়টিও সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলে উল্লেখ করেন।

কেএন/টিকে

মন্তব্য করুন