রাত পোহালেই ভোট
ছবি: সংগৃহীত
০২:৩৬ এএম | ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষ্যে সারা দেশের কেন্দ্রে কেন্দ্রে নির্বাচন সামগ্রী সন্ধ্যার মধ্যেই পৌঁছে গেছে জানিয়েছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ভোটের আগে, ভোটের দিন ও পরবর্তী সময়সহ গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১০ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
দেশে মোট ৩০০টি আসনে তবে, একটি আসনের একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে) প্রায় ১২ কোটি ৭৫ লাখ ভোটারের জন্য স্থাপিত প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্র ও আনুমানিক ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। মহানগর এলাকা, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও দুর্গম অঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ভোটকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহরুল আলম বলেছেন, পুলিশকে পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা প্রদর্শন করতে হবে যাতে জনগণের আস্থা ফিরে আসে। তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। জনআস্থা পুনরুদ্ধারে সদস্যদের পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।’ সাইবার গোয়েন্দা কার্যক্রম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এস এম সাজ্জাত আলী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, ‘রাজনৈতিক আনুগত্যের ঊর্ধ্বে উঠে ত্রুটিমুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করায় অগ্রাধিকার দিতে হবে।’
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কৌশলগত ও স্পর্শকাতর এলাকায়, বিশেষ করে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে বিশেষ টহল শুরু করেছে। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী জানান, ৪৮৯টি উপজেলায় ৩৭ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকছে এবং ৬১টি সীমান্ত উপজেলায় বিজিবি একক দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, ‘ভোটাররা যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য বিজিবি পেশাদার, সুশৃঙ্খল ও রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। তিনি জানান, হেলিকপ্টার, ড্রোন, কে-৯ ইউনিট ও কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’
টিজে/টিএ