© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভালোবাসা দিবসে খোলা চিঠিতে অনিন্দিতার আবেগ

শেয়ার করুন:
ভালোবাসা দিবসে খোলা চিঠিতে অনিন্দিতার আবেগ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:০৬ পিএম | ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ভালোবাসা দিবসে নিজের জীবনের না–বলা অনুভূতির কথা খোলা চিঠিতে প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়। ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন, দাম্পত্য ভাঙনের যন্ত্রণা এবং নতুন করে ভালোবাসার সংজ্ঞা খুঁজে পাওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এই চিঠি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

চিঠিতে অনিন্দিতা জানিয়েছেন, বহু বছর একসঙ্গে সংসার করার পরও জীবনে এমন পরিণতি আসবে, তা তিনি কল্পনাও করেননি। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন পেরিয়েও সম্পর্কের ভাঙন তাঁকে মানসিকভাবে আঘাত করেছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে সময়ের সঙ্গে নিজেকে সামলে নিয়েছেন বলেও জানান এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়, যা ঘটে তা হয়তো কোনো না কোনো কারণে ভালো কিছুর দিকেই নিয়ে যায়- এই বিশ্বাসেই এখন নিজেকে শক্ত রাখার চেষ্টা করছেন তিনি।

ভালোবাসা দিবস নিয়ে তাঁদের দাম্পত্য জীবনে কখনও আলাদা পরিকল্পনা ছিল না বলেও উল্লেখ করেন অনিন্দিতা। বাড়তি কোনো চাহিদা বা প্রত্যাশা না থাকাই হয়তো একসময় ভুল হয়ে দাঁড়িয়েছিল বলে তাঁর উপলব্ধি। সম্পর্কের ভেতরে অবহেলার অনুভূতি জমে থাকলেও এখন আর অতীত নিয়ে ভাবতে চান না বলেই জানান তিনি।



তবে ভালোবাসা যে কেবল দাম্পত্য বা প্রেমের সম্পর্কেই সীমাবদ্ধ নয়, সেটিই তাঁর চিঠির মূল সুর। জীবনে প্রেমের অধ্যায় মুছে গেলেও ভালোবাসা শেষ হয়ে যায়নি- এই উপলব্ধিই এখন তাঁর শক্তি। মেয়ের প্রতি মমতা ও ঘরের পোষ্যের নিঃস্বার্থ স্নেহই তাঁকে নতুনভাবে বাঁচার প্রেরণা দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। দিনের শেষে ঘরে ফিরে সন্তানের ছুটে আসা মুহূর্তই তাঁর সমস্ত ক্লান্তি দূর করে দেয়।

চিঠিতে নিজের শঙ্কার কথাও অকপটে তুলে ধরেন অনিন্দিতা। মেয়ের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক ও ভালোবাসা নিয়ে একজন মায়ের স্বাভাবিক দুশ্চিন্তার কথাও উঠে আসে তাঁর লেখায়। তিনি চান, সন্তানের জীবন যেন তাঁর নিজের মতো বেদনাময় অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে না যায়। সব মানুষ এক রকম নয়- এই বিশ্বাস রাখলেও মাতৃত্বের উদ্বেগ তাঁকে তাড়া করে ফেরে বলেই স্বীকার করেন এই অভিনেত্রী।

এমকে/টিকে

মন্তব্য করুন