বিজিবির অভিযানে উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত
০১:৩৩ এএম | ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে পৃথক দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানের সময় সশস্ত্র মাদক কারবারীদের সঙ্গে বিজিবির গুলি বিনিময়ের ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা ৩০ মিনিটে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডারের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পরিচালক (অপারেশন)-এর নেতৃত্বে রামু সেক্টর, উখিয়া ও টেকনাফ ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে একটি যৌথ টহলদল উখিয়ার হ্নীলা বিওপি থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে চৌধুরীপাড়া স্লুইচ গেইট এলাকায় অবস্থান নেয়।
রাত ১টার দিকে ৮-১০ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে তাদের চ্যালেঞ্জ করলে সশস্ত্র মাদক কারবারীরা টহলদলের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা ফাঁকা গুলি ছোড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা নাফ নদী ও সংলগ্ন কেওড়া জঙ্গলে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় চলে। একপর্যায়ে মাদক কারবারীরা ইয়াবার চালান ফেলে পালিয়ে যায়।
পরে পলাতকদের সঙ্গে স্থানীয় সশস্ত্র দুষ্কৃতকারী দলেরও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে জানায় বিজিবি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিজিবি নৌবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের সহায়তা চায়। অতিরিক্ত টহলদল ঘটনাস্থলে পৌঁছে চৌধুরীপাড়া গ্রামে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
অভিযান শেষে নাফ নদী ও সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বিজিবি ৭ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। এছাড়া একই দিন রাত ১১টার দিকে হোয়াইক্যং বিওপির উত্তরে মনিরঘোনা এলাকায় আরেকটি অভিযানে আরও ২ লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার পরিমাণ ৯ লাখ ৮০ হাজার পিস, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় মাদক উদ্ধার বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
উদ্ধারকৃত ইয়াবা টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মাদক কারবারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
এসএস/টিএ