মেয়েকে চীন দেশীয় দর্শনে বড় করছেন আলিয়া-রণবীর!
ছবি: সংগৃহীত
১০:৫৭ এএম | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বলিউডের জনপ্রিয় জুটি আলিয়া ভট্ট ও রণবীর কপূর তাদের কন্যা রাহা কপূরকে মানুষ করার ক্ষেত্রে বেছে নিয়েছেন এক ভিন্ন ধরনের দর্শন। ২০২২ সালের নভেম্বরে রাহার জন্মের পর থেকে আলিয়া জানিয়েছেন, তাঁর জীবন পুরোপুরি বদলে গেছে। শয়ন-সপনে-জাগরণে এখন শুধু রাহার ভালমন্দের ভাবনা নেবার প্রতিফলন।

আলিয়া-রণবীরের লালনপালনের বিশেষত্ব হলো চিনের ‘তাও’ দর্শন অনুসরণ করা। আলিয়া জানিয়েছেন, বই ‘দ্য প্যারেন্টস তাও তে সিং’ (লেখক: উইলিয়াম মার্টিন) তাঁকে এই দর্শন অনুসরণের প্রেরণা দিয়েছে। তাও দর্শন অনুযায়ী, সন্তানকে নিয়ন্ত্রণ বা কঠোর নিয়মে বেঁধে রাখা প্রয়োজন নেই। বরং সন্তান কী চাইছে, কী বলছে, তা মনোযোগ দিয়ে শোনা ও বোঝার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আলিয়া বলেন, “সন্তানের সঙ্গে কতটা জুড়ে থাকা যায় সেটাই আসল। পারফেক্ট কন্যা বা পুত্রের বিষয়ে শুধু ঠিক বা ভুল বলে দেওয়ার মধ্যে থাকাটা নয়, বরং বাবা-মায়ের পাশে থেকে বোঝার চেষ্টা করাটাই গুরুত্বপূর্ণ।” এই দর্শন সন্তানের স্বাধীনতা ও বাবা-মায়ের সংযুক্তির মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করতে সাহায্য করে।

বলিউডে অন্য মায়েরা যেমন নিজের পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন—করিনা কপূর খান সন্তানের প্রকাশ্যে উপস্থিতি খোলাখুলি মেনে নিয়েছেন, অনুষ্কা শর্মা সন্তানকে প্রকাশ্যে আনতে চাননি, দীপিকা পাড়ুকোন নির্দিষ্ট ওয়ার্ক আওয়ারের মধ্যে সন্তান পালন করেছেন—তবে আলিয়া-রণবীরের পদ্ধতি একেবারেই ভিন্ন। তারা সন্তানকে মানুষ করার পাশাপাশি নিজেরাও প্রতিনিয়ত শিখছেন, যে শিক্ষার মধ্যে ব্যক্তিগত দর্শন ও মানসিক সংযুক্তির গুরুত্ব বেশি।
এই দর্শনের মূল বার্তা স্পষ্ট: বকাবকি নয়, শোনা এবং বোঝাই সন্তানের লালনপালনের মূল চাবিকাঠি।
এমকে/এসএন