© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এলিয়েন ও ইউএফও সংক্রান্ত গোপন ফাইল প্রকাশের নির্দেশনা ট্রাম্পের

শেয়ার করুন:
এলিয়েন ও ইউএফও সংক্রান্ত গোপন ফাইল প্রকাশের নির্দেশনা ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২৮ এএম | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
এলিয়েন (ভিনগ্রহী প্রাণী) ও ইউএফও (অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু) নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রহস্যের জট খুলতে বড় পদক্ষেপ নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তিনি ঘোষণা করেছেন যে, মার্কিন সরকারের কাছে থাকা এই সংক্রান্ত অতি-গোপন ফাইলগুলো সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেবেন।

একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প জানান, তিনি পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে এলিয়েন সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের নির্দেশ দেবেন। বিষয়টিকে তিনি অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন।

তবে এই ঘোষণার মাঝেই তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ওপর আক্রমণ চালিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, ওবামা এলিয়েন নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলে গোপন তথ্য ফাঁস করেছেন এবং এটি একটি বড় ভুল। যদিও ট্রাম্পের এই দাবির সপক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওবামাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এলিয়েনরা কি সত্যি? জবাবে ওবামা কিছুটা কৌতুক করে বলেছিলেন, এগুলো আসল, কিন্তু আমি নিজে কখনও দেখিনি।
তিনি আরো স্পষ্ট করেন যে, নেভাদার অতি-গোপন সামরিক ঘাঁটি ‘এরিয়া ৫১’-এ কোনো ভিনগ্রহী প্রাণীর মৃতদেহ বা বিধ্বস্ত মহাকাশযান লুকিয়ে রাখা হয়নি। ওবামা তার এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লেখেন, মহাবিশ্ব বিশাল হওয়ায় প্রাণের সম্ভাবনা থাকলেও পৃথিবীতে তাদের আসার কোনো প্রমাণ তিনি প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন পাননি।

ট্রাম্প ফাইলগুলো প্রকাশের নির্দেশ দিলেও, খোদ পেন্টাগন ও মার্কিন সামরিক বাহিনী গত কয়েক বছরে একাধিক তদন্ত চালিয়েছে। ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এখন পর্যন্ত বহির্জাগতিক প্রযুক্তির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আকাশে দেখা যাওয়া বেশিরভাগ রহস্যময় বস্তুগুলো আসলে সাধারণ ড্রোন, আবহাওয়া বেলুন বা অন্য কোনো মানবসৃষ্ট বস্তু ছিল। এলিয়েনরা পৃথিবীতে ক্র্যাশ-ল্যান্ড করেছে—এমন কোনো ঘটনার সত্যতা নেই।

ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছেন যে তিনি নিশ্চিত নন এলিয়েনরা আসলেই বাস্তব কি না। তবে ফাইলগুলো প্রকাশ পেলে আমেরিকার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের কৌতূহল কিছুটা হলেও কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে ন্যাশনাল আর্কাইভস ও পেন্টাগনের কাছে ইউএফও সম্পর্কিত বিপুল পরিমাণ নথি জমা রয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স

টিজে/এসএন  

মন্তব্য করুন