© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইফতারের আগমুহূর্তে দোয়া কবুল হয়

শেয়ার করুন:
ইফতারের আগমুহূর্তে দোয়া কবুল হয়

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:০৯ পিএম | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি দয়াশীল। রমজানে এই দয়ার পরিমাণ আরো বেশি বৃদ্ধি পায়। তিনি প্রতিটি আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করেন, বান্দার দোয়া কবুল করেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। বিশেষত রমজানের ইফতারের সময়ে দোয়া কবুলের কথা হাদিসে এসেছে।

এ সময়ে বান্দার ওপর আল্লাহর করুণার ধারা বর্ষিত হয়। অথচ না জেনেই অনেকে সময়গুলো অবহেলায় কাটিয়ে দেয়।

ইফতারের আগমুহূর্তের দোয়া

ইবাদত ও দোয়া কবুলের বিবেচনায় সূর্যাস্ত তথা ইফতারের পূর্ব মুহূর্ত খুবই মূল্যবান। পূর্বসূরি আলেমরা ইফতারের আগের সময়টুকু দোয়া ও আল্লাহর জিকিরে মগ্ন থাকতেন।

কেননা মহানবী (সা.) বলেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না : ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৫২)

তাই ইফতারের সময়ে নানা কাজে ব্যস্ত না হয়ে দোয়ায় নিমগ্ন হওয়া জরুরি।

শেষ রাতের দোয়া

আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য শেষ রাতের ইবাদত-বন্দেগি, দোয়া ও প্রার্থনার কোনো বিকল্প নেই। নবী (সা.) বলেন, ‘রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে আমাদের প্রতিপালক পৃথিবীর আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব, কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব, কে আমার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করবে আমি তাকে ক্ষমা করব।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১১৪৫)

তাই রোজাদারের উচিত, সাহরির আগে বা পরে তাহাজ্জুদ আদায়ে সচেষ্ট হওয়া এবং এ সময় আল্লাহর দরবারে ক্ষমা ও কল্যাণ প্রার্থনা করা। মহান আল্লাহ জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে তার স্মরণে সজীব করুন। আমিন।

রাসুল (সা.) ইফতার শুরুর আগে এই দোয়া করতেন-

اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলা রিজক্বিকা আফতারতু।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যই রোজা রেখেছিলাম এবং আপনার রিজিক দ্বারাই ইফতার করলাম।

হাদিস : মুয়াজ ইবনে জুহরা (রা.) বলেন, তার কাছে পৌঁছেছে যে রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন ইফতার করতেন তখন এই দোয়া পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮)

রাসুল (সা.) ইফতারের পর আরেকটি দোয়া পড়তেন। তা হলো-

 ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ

উচ্চারণ : জাহাবাজ জমাউ ওয়াবতাল্লাতিল উরুক্বু ওয়া ছাবাতাল আজরু, ইনশাআল্লাহ।

অর্থ : পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সতেজ হলো আর আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় রোজার সওয়াব লিপিবদ্ধ হলো।

হাদিস : ইবনে উমর (রা.) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন ইফতার করতেন তখন তিনি এই দোয়া পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৭)

এমআর/টিএ

মন্তব্য করুন