© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

চাঁদা আদায়ে বাধা দেওয়ায় দুজনকে কুপিয়ে জখম, এক আসামি রিমান্ডে

শেয়ার করুন:
চাঁদা আদায়ে বাধা দেওয়ায় দুজনকে কুপিয়ে জখম, এক আসামি রিমান্ডে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৪৩ এএম | ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
চাঁদা আদায়ে বাধা দেওয়ায় ২১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে দুজনকে কুপিয়ে জখম করার করা মামলায় মো. ফারুককে (৫০) দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজু আহম্মেদ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সঙ্গে আসামির জড়িত থাকার পক্ষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার, ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন ও হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

এর আগে গত রোববার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কলাটিয়া ধলেশ্বরী পাড় এলাকা থেকে ফারুককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সোমবার ব্যবসায়ী মো. রাসেল বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলাটি করেন। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও আটজনকে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, এজাহারনামীয় আসামিরা গ্রিনভিউ হাউজিং এলাকায় মাদকের কারবার নিয়ন্ত্রণ করতেন। বাদী মো. রাসেল ও তাঁর বন্ধু মো. মামুন ওই এলাকায় মাদকের স্পট বন্ধ করে দেন। এর জেরে আসামিরা ক্ষিপ্ত ছিল। ঘটনার ৮-১০ দিন আগে মোহাম্মদপুরের বছিলা রোড এলাকার ফুটপাতের দোকানদারদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসামিপক্ষ। এ সময় বাদী ও তাঁর বন্ধু মামুনসহ স্থানীয় লোকজন এতে বাধা দেন। তখন আসামিরা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি বেলা তিনটার দিকে বছিলা রোড এলাকায় বাদী ও তাঁর বন্ধুর ওপর হামলা চালায় আসামিরা। এ সময় ‘সামুরাই’সহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাঁদের জখম করা হয়। পরে তাঁদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত দুজনকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এসএস/টিএ

মন্তব্য করুন