© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কী কারণে প্রথম রোজা রাখতে নোয়াখালী গিয়েছিলেন দিলারা জামান?

শেয়ার করুন:
কী কারণে প্রথম রোজা রাখতে নোয়াখালী গিয়েছিলেন দিলারা জামান?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৪৩ পিএম | ০৯ মার্চ, ২০২৬
বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী দিলারা জামান। দীর্ঘ ছয় দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয় জগতে সক্রিয় এই গুণী শিল্পী। ১৯৬৫ সালে আলাউদ্দিন আল আজাদের রচনায় এবং মোহাম্মদ জাকারিয়ার পরিচালনায় নাটক ‘ত্রিধারা’ দিয়ে তার অভিনয়জীবনের সূচনা।

বয়সের ভার সত্ত্বেও এখনও নিয়মিত শুটিং করছেন তিনি।

তবে পবিত্র রমজান এলেই যেন বদলে যায় তার ব্যস্ততার ছন্দ। এই মাসে নিজেকে খানিকটা গুটিয়ে নেন তিনি। কাজের ফাঁকে মন ফিরে যায় শৈশব-কৈশোরের সেই রঙিন স্মৃতির দিনে-যখন রোজা, ইফতার আর পরিবারের সবার একসঙ্গে থাকার আনন্দ ছিল ভরপুর।

দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের প্রথম রোজা রাখার স্মৃতিচারণ করে দিলারা জামান বলেন, ‘আমার যতদূর মনে পড়ে, ক্লাস সিক্সে থাকতে প্রথম রোজা রেখেছিলাম।

ছোটবেলায় রোজা রাখতে চাইলে বাবা নিরুৎসাহিত করতেন। তিনি বলতেন, ‘ছোট মানুষ, রোজা রাখলে শরীর খারাপ হয়ে যাবে। তাই একবার রোজার সময় আমি নানাবাড়ি নোয়াখালী বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানেই প্রথম রোজা রাখি। বাড়িতে থাকলে হয়তো বাবা রোজা রাখতে দিতেন না। তাই নোয়াখালী যাওয়া।’



বর্ষিয়াণ এই অভিনেত্রী বলেন, ‘প্রথমবার রোজা রাখার অনুভূতি সত্যিই অসাধারণ ছিল।’

শৈশবের ইফতারের সময়ের কথা স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলে গেছে। রোজা ও ইফতার সংস্কৃতিও তার বাইরে নয়। আমাদের সময়ে সবাই একসঙ্গে বসে ইফতার করতাম। আহা, কী আনন্দ ছিল! মনে হতো যেন উৎসব চলছে।’

বর্তমান সময়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘এখন সবার ব্যস্ততা অনেক বেড়ে গেছে। পরিবারে অনেকেই আলাদা জায়গায় থাকে, কাজে ব্যস্ত থাকে। তাই ইচ্ছে থাকলেও সবাই মিলে আনন্দময় পরিবেশে ইফতার করা অনেক সময় সম্ভব হয় না। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। তবে সেই দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ে।’

চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে অভিষেকের আগে মঞ্চ ও টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন দিলারা জামান। রূপালি পর্দায় তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘জালিম’, ‘জুলুম’, ‘ব্যথার দান’, ‘অসতী’, ‘আওলাদ’, ‘শাহাজাদা’, ‘সম্রাট’ ও ‘হাইজ্যাক’।

এমকে/টিএ

মন্তব্য করুন