© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা, জায়গা পেলেন কারা ?

শেয়ার করুন:
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা, জায়গা পেলেন কারা ?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২৭ এএম | ১০ মার্চ, ২০২৬
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারানোর মাধ্যমে সর্বোচ্চ তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। এর মাধ্যমেই পর্দা নেমেছে এবারের আসরের। আর টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার একদিন পরেই সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

আইসিসি ঘোষিত সেরা একাদশে জায়গা পেয়েছেন মোট সাতটি দেশের ক্রিকেটাররা। এতে আধিপত্য বিস্তার করেছে ভারত। একাদশে রয়েছে তাদেরই চারজন। দুজন করে রয়েছে ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার। একজন করে আছেন পাকিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এছাড়া দ্বাদশ ক্রিকেটার হিসেবে রাখা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এক ক্রিকেটাররা।

১. সাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান):

টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ৭ ম্যাচে ৭৬.৬০ গড়ে ৩৮৩ রান করেছেন তিনি। এক বিশ্বকাপে দুটি সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটার হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। তাই তাকেই ওপেনিংয়ে রাখা হচ্ছে।

২. ইশান কিশান (ভারত):

ওপেনিংয়ে নেমে আগ্রাসী ব্যাটিং করেছেন ইশান কিশান। ৯ ম্যাচে করেছেন ৩১৭ রান। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪৪ বলে ৭৭ এবং ফাইনাল ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৫ বলে ৫৪ রানের ইনিংস ছিল অনবদ্য।

৩. সাঞ্জু স্যামসন (ভারত-উইকেটকিপার):

টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার জিতেছেন সাঞ্জু স্যামসন। সুপার এইটের শেষ ম্যাচ এবং নকআউট পর্বে উঠে ওঠেন অদম্য। সেমিফাইনাল ও ফাইনালে টানা ৮৯ রানের দুটি ইনিংস খেলে ভারতের শিরোপা জয়ে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। ৫ ম্যাচে তার গড় ৮০.২৫।

৪. এইডেন মার্করাম (দক্ষিণ আফ্রিকা-অধিনায়ক):

দক্ষিণ আফ্রিকাকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত টেনে নেওয়ার কারিগর এইডেন মার্করাম। ব্যাট হাতে ২৮৬ রান করার পাশাপাশি অধিনায়ক হিসেবে বোলারদের দারুণভাবে ব্যবহার করেছেন তিনি। তাই এই দলের নেতৃত্বও থাকছে তার কাঁধেই।

৫. হার্দিক পান্ডিয়া (ভারত):

একজন কার্যকর অলরাউন্ডারের যা যা করার প্রয়োজন ছিল, সবই করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। ৯ ম্যাচে ২১৭ রান এবং ৯ উইকেট নিয়েছেন তিনি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৩ বলে ৫০ এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে ২/১৬ ছিল তার সেরা পারফরম্যান্স।



৬. উইল জ্যাকস (ইংল্যান্ড):

ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল যাত্রায় বড় ভূমিকা রেখেছেন উইল জ্যাকস। ৮ ম্যাচে ২২৬ রান এবং ৯ উইকেট নেন তিনি। টুর্নামেন্টে শেন ওয়াটসনের সমান সর্বোচ্চ ৪টি ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন এই ইংলিশ অলরাউন্ডার।

৭. জেসন হোল্ডার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ):

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল ও ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন জেসন হোল্ডার। নেপালের বিপক্ষে ৪/২৭ শিকার এবং ভারতের বিপক্ষে দ্রুতগতির ৩৭ রান তাকে এই একাদশে জায়গা করে দিয়েছে। টুর্নামেন্টে মোট ১০টি উইকেট শিকার করেছেন তিনি।

৮. জাসপ্রিত বুমরাহ (ভারত):

বিশ্বকাপের সেরা বোলার জাস্প্রিত বুমরাহ। ৮ ম্যাচে নিয়েছেন ১৪ উইকেট। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪/১৫ এবং সেমিফাইনালে ১৮তম ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। তাই একাদশে তার জায়গা অবধারিতই ছিল।

৯. লুঙ্গি এনগিডি (দক্ষিণ আফ্রিকা):

দক্ষিণ আফ্রিকার পেস আক্রমণের স্তম্ভ। ৭ ম্যাচে ১২ উইকেট নিয়েছেন লুঙ্গি। ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণও করেছেন।

১০. আদিল রশিদ (ইংল্যান্ড):

এই একাদশের একমাত্র বিশেষজ্ঞ স্পিনার আদিল রশিদ। ৮ ম্যাচে নেন ১৩ উইকেট। লঙ্কান কন্ডিশনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২/১৩ এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ বোলিং করে দলকে জিতিয়েছেন তিনি।

১১. ব্লেসিং মুজারাবানি (জিম্বাবুয়ে):

জিম্বাবুয়ের ঐতিহাসিক ‘সুপার এইট’ যাত্রার অন্যতম নায়ক ব্লেসিং মুজারাবানি। ৬ ম্যাচে ১৩ উইকেট নেন এই ডানহাতি পেসার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪/১৭ নিয়ে অজিদের হারিয়ে বড় অঘটনের জন্ম দেন তিনি।

১২তম খেলোয়াড়: শাডলি ফন শ্যালকউইক (যুক্তরাষ্ট্র):

যুক্তরাষ্ট্রের এই পেসার মাত্র ৪ ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। ভারতের বিপক্ষে শুরুতেই ৪ উইকেট নিয়ে দলটিকে বিপদেও ফেলে দিয়েছিলেন এই পেসার। তাই তাকে দ্বাদশ ক্রিকেটার হিসেবে রেখেছে আইসিসি।

এমআই/টিএ

মন্তব্য করুন