© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভারত বিশ্ব ক্রিকেটে দীর্ঘদিন আধিপত্য করবে : স্যামসন

শেয়ার করুন:
ভারত বিশ্ব ক্রিকেটে দীর্ঘদিন আধিপত্য করবে : স্যামসন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৪৭ পিএম | ১৬ মার্চ, ২০২৬
ভারতের উইকেটকিপার-ব্যাটার সঞ্জু স্যামসন বলেছেন, আগামী অনেক বছর বিশ্ব ক্রিকেটে আধিপত্য বিস্তার করবে ভারত। তার মতে, ২০২৬ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালেই তিনি উপলব্ধি করেছেন যে দলের প্রতিটি খেলোয়াড়ের সামনে এগিয়ে এসে ভালো পারফর্ম করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

নকআউট পর্বে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন এই টপ-অর্ডার ব্যাটার। টানা তিনটি অর্ধশতক করে তিনি দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অপরাজিত ৯৭ রান করে ভারতকে সেমিফাইনালে তুলতে সাহায্য করেন তিনি। এরপর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৯ রান করেন স্যামসন। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও ৮৯ রানের ইনিংস খেলে ভারতকে তৃতীয়বারের মতো শিরোপা জিততে সহায়তা করেন।

দিল্লিতে বিসিসিআই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের পাশে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্যামসন বলেন, ‘এখনো পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারছি না।সকালে ঘুম থেকে উঠেও মনে হয়, এটা কি সত্যিই ঘটেছে? তবে আমার মনে হয়, আমাদের দেশে যে মানের ক্রিকেটার উঠে আসছে, তাতে আগামী বছরগুলোতে এমন সাফল্য আরো বারবার আসবে। ভারত আরো অনেকবার এমন অর্জন করবে।’



পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য স্যামসনকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত করা হয়। পাঁচ ইনিংসে প্রায় ২০০ স্ট্রাইক রেটে ৩২১ রান করেন তিনি।

টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে মাত্র একটি ম্যাচ খেললেও পরে সুযোগ পেয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখান।

স্যামসন বলেন, ‘আপনি স্বপ্ন দেখতে পারেন কোথায় যেতে চান, কিন্তু সেই পথ কীভাবে তৈরি হবে তা সবসময় আপনার হাতে থাকে না। আমার ক্যারিয়ার তারই একটি উদাহরণ। কয়েক বছর আগেই আমি দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলাম। কিন্তু সবকিছুর নিজস্ব পরিকল্পনা ও গল্প থাকে, ঠিক যেন একটি সিনেমার মতো। আমি সেই যাত্রাটা উপভোগ করেছি।’

কেরালায় জন্ম নেওয়া এই ব্যাটার এখন দুটি বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য। প্রথমটি ২০২৪ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং দ্বিতীয়টি ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে ২০২৪ আসরে তিনি একাদশে খেলার সুযোগ পাননি, কারণ তখন ব্যাটিং লাইনআপে অভিজ্ঞ রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি দাপট দেখাচ্ছিলেন।

কিন্তু সাম্প্রতিক বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন স্যামসন। তার মতে, বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের চেয়ে দলের প্রয়োজনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে পুরো ফোকাস থাকে দলের ওপর, দল কী চায়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ থেকেই সবাই চেয়েছিল আমি যেন অবদান রাখি।তখনই আমার মানসিকতায় পরিবর্তন আসে। দলের প্রয়োজন আছে, এই বিশ্বাসই আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। আমি মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম, তাই জানতাম সুযোগ এলে নিজের সেরাটাই দিতে পারব।’

এমআর/টিকে 

মন্তব্য করুন