© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জানিনা কী এমন হয়েছিলো যে অসময়ে চলে যেতে হবে: বন্ধু শামস সুমনের মৃত্যুতে পিনাকী

শেয়ার করুন:
জানিনা কী এমন হয়েছিলো যে অসময়ে চলে যেতে হবে: বন্ধু শামস সুমনের মৃত্যুতে পিনাকী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:২১ এএম | ১৮ মার্চ, ২০২৬
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমনের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংস্কৃতি অঙ্গনে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

অভিনেতার মৃত্যুর খবর চাউর হতেই নানা অঙ্গনের মানুষ স্মৃতিচারণ করছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও লেখক পিনাকী ভট্টাচার্য। এক আবেগঘন স্মৃতিচারণে তিনি শামস সুমনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, একসঙ্গে কাজ করা এবং শিল্পচর্চার নানা মুহূর্ত তুলে ধরেন।

পিনাকী ভট্টাচার্য জানান, তাদের পরিচয় রাজশাহীতে ১৯৮৫ সালে, যখন তারা একই ব্যাচে এইচএসসি-এসএসসি সম্পন্ন করেন। এরপর ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে গভীর বন্ধুত্ব। আবৃত্তি চর্চা, নাটকে কণ্ঠ দেওয়া এমনকি একটি নৃত্যনাট্যেও একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তারা।

তিনি স্মরণ করেন, ১৯৯৮ সালে ঢাকায় একটি নাটকের কাজ নিয়ে আবারও একসঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন তারা, যদিও সেটি শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। তবে শুটিং সেটে গিয়ে শামস সুমনের সাবলীল অভিনয় কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা তার কাছে ছিল বিশেষ। “অপূর্ব ছিল তার কণ্ঠ”- এভাবেই বন্ধুর শিল্পীসত্তাকে বর্ণনা করেন পিনাকী।

তার ভাষায়, “শুটিংয়ে মাঝে মাঝে যেতাম। বসে বসে দেখতাম ওর সাবলীল অভিনয়। আড্ডা দিতাম শুটিং ফ্লোরেই। অপুর্ব ছিলো ওর কণ্ঠ। ও শট দিয়ে আবার আড্ডায় ঢুকতো।”



স্মৃতিচারণে তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহার ক্যাম্পাস থেকে চারুকলা অনুষদের ক্যান্টিনে কাটানো প্রাণবন্ত সময়গুলোর কথা। পিনাকী বলেন,“সেই মতিহার থেকে চারুর ক্যান্টিনে তুমুল হৈ হৈ সময়ের সাথিরা একে একে ফাঁকি দিয়ে চলে যাচ্ছে।”

হঠাৎ এই বিদায়ে বিস্ময় প্রকাশ করে পিনাকী লেখেন, “জানিনা কী এমন হয়েছিলো যে অসময়ে চলে যেতে হবে।” একইসঙ্গে তিনি শামস সুমনের জীবন ও কর্মের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তার অনন্ত যাত্রা শান্তিময় হোক- এই কামনা করেন।

একসময় টিভি নাটকের জনপ্রিয় মুখ শামস সুমন মঞ্চ, ছোটপর্দা ও চলচ্চিত্রে সমানভাবে কাজ করেছেন। তিনি রেডিও ভূমিতে স্টেশন চিফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিনয় জীবনে ‘স্বপ্নপুরণ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য ২০০৮ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন