© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কা / ৪৮ ঘণ্টা পরও উদ্ধার হয়নি নিখোঁজ যাত্রী, দুই লঞ্চের ৫ জন গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন:
৪৮ ঘণ্টা পরও উদ্ধার হয়নি নিখোঁজ যাত্রী, দুই লঞ্চের ৫ জন গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৪৭ পিএম | ২০ মার্চ, ২০২৬
রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের ধাক্কায় বুড়িগঙ্গা নদীতে পড়ে যাওয়া এক যাত্রীর খোঁজ ৪৮ ঘণ্টায়ও মেলেনি। এছাড়া এ ঘটনায় মিরাজ ফকির ছেলে সোহেল ফকির (২২) মারা গেছেন এবং সোহেলের স্ত্রী রুবা ফকির (২০) গুরুতর আহত অবস্থায় মিডফোর্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নৌ-পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় মিরাজ ফকিরের বড় ভাই সিরাজ ফকির বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারভুক্তি ৫ আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) নিখোঁজ যাত্রীর বিষয়ে সদরঘাট নৌ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহাগ রানা বলেন, দুই লঞ্চের ধাক্কায় নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়ায় মিরাজ নামের ওই যাত্রীর খোঁজ এখনো মেলেনি। তার ছেলে সোহেলের মরদেহ ঘটনার দিনই পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া হস্তান্তর করা হয়েছে। সোহেলের স্ত্রী মিডফোর্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

গ্রেপ্তারের বিষয়ে নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, এ ঘটনায় নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের বড় ভাই ও নিহত সোহেল ফকিরের চাচা সিরাজ ফকির বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে মামলার এজাহারভুক্ত ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা দুই লঞ্চের স্টাফ ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় সদরঘাটে ঢাকা-ইলিশা রুটের ‘আসা যাওয়া-৫’ লঞ্চে ট্রলার দিয়ে যাত্রী তোলার সময় পেছন থেকে ‘এমভি জাকির সম্রাট-৩’ (ঢাকা-দেউলা-ঘোষেরহাট) নামে আরেকটি লঞ্চ ধাক্কা দেয়। এতে ধাক্কা দেওয়া লঞ্চের সামনের অংশের আঘাতে অপেক্ষমাণ লঞ্চে থাকা এক যাত্রী পিষ্ট হন। এদের মধ্যে রুবা ফকির (২০) নামে এক নারী গুরুতর আহত হয়ে নদীতে পড়ে যান। 

পুলিশ জানায়, বরিশালের কাশিপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে লঞ্চে উঠতে গিয়ে পাশাপাশি থাকা দুটি লঞ্চের ঘষাঘষির মধ্যেই তিনি পানিতে পড়ে যান। পরে আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এমআই/এসএন  

মন্তব্য করুন