© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শুরুতে পাইলট হতে চাইলেও এখন মনে হয় গান ছাড়া বাঁচা সম্ভব নয় : রোদেলা

শেয়ার করুন:
শুরুতে পাইলট হতে চাইলেও এখন মনে হয় গান ছাড়া বাঁচা সম্ভব নয় : রোদেলা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:১৩ পিএম | ২১ মার্চ, ২০২৬
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সির মেয়ে মার্জিয়া বুশরা রোদেলা ধীরে ধীরে নিজের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলছেন সংগীতাঙ্গনে। মায়ের পরিচয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে নিজস্ব কণ্ঠ আর কাজ দিয়ে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছাতে চান তিনি। সেই পথচলায় এবার ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রকাশ হতে যাচ্ছে তাঁর গাওয়া প্রথম বাণিজ্যিক গান ‘কান পেতে শোন’।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রোদেলা জানিয়েছেন, নতুন এই গান নিয়েই এখন তাঁর ব্যস্ততা সবচেয়ে বেশি। গীতিকার মামুন আফনান রুমির কথায় এবং সংগীতশিল্পী মিলন মাহমুদ–এর সংগীতায়োজনে তৈরি গানটি প্রকাশ করবে ওয়াইআর মিউজিক। ঈদ উপলক্ষে এটিকেই তিনি নিজের এবারের বিশেষ উপহার হিসেবে দেখছেন।

রোদেলার ভাষ্য, গানটি রোমান্টিক আবহের এবং কাজের পুরো অভিজ্ঞতাই তাঁর কাছে আনন্দের। এর আগে তিনি হৃদয় খান–এর সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে ‘হোক বদনাম’ গান করেছেন। পরে এককভাবে প্রকাশ পেয়েছে ‘অকারণ’। নতুন গানটিকে তিনি নিজের তৃতীয় রোমান্টিক কাজ হিসেবে দেখছেন, তবে এবারও দ্বৈত কণ্ঠে থাকছে নতুন অভিজ্ঞতা।



সংগীতজগতে নতুন হলেও এখন পর্যন্ত কাজ করতে গিয়ে বড় কোনো বাধার মুখে পড়তে হয়নি বলে জানান রোদেলা। তাঁর মতে, ছোটবেলা থেকেই শিল্পী পরিবারের পরিবেশে বেড়ে ওঠায় সংগীতাঙ্গনের অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচয় তৈরি হয়েছিল। সেই পরিচিতি এখন পেশাদার যাত্রায় সহায়ক হয়ে উঠছে।

শৈশবে তাঁর স্বপ্ন ছিল অন্যরকম। বড় হয়ে পাইলট হওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বুঝতে পারেন, গানের প্রতি টানই সবচেয়ে গভীর। এখন তাঁর বিশ্বাস, গান ছাড়া নিজের জীবন কল্পনা করা কঠিন।

মা-মেয়ের একসঙ্গে মঞ্চে ওঠার অভিজ্ঞতাও রয়েছে একাধিকবার। প্রথমবার দেশের বাইরে, অস্ট্রেলিয়াতে মায়ের সঙ্গে মঞ্চে গান করেন তিনি। ২০১৯ সালের সেই আয়োজন এখনও তাঁর কাছে স্মরণীয়। সে সময় তিনি শিশুশিল্পী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর লেখা ‘প্রজাপতি’ প্রকাশের পরপরই মঞ্চে ওঠেন।

শুধু গান নয়, অভিনয় ও মডেলিংয়েও আগ্রহ রয়েছে রোদেলার। মায়ের গাওয়া ‘তোমারই আছি’ শিরোনামের গানে মডেল হিসেবেও দেখা গেছে তাঁকে। তবে তাঁর কথায়, সব আগ্রহের মধ্যেও গানই প্রথম অগ্রাধিকার।

ঈদ নিয়ে ব্যক্তিগত অনুভূতিতে রোদেলা বলেন, তাঁর কাছে ঈদ মানেই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর বিশেষ উপলক্ষ। ব্যস্ত নগরজীবনে প্রতিদিন সবাই একসঙ্গে বসে খাওয়ার সুযোগ হয় না, কিন্তু ঈদ সেই দূরত্ব কমিয়ে দেয়। নতুন পোশাক, সালামি, পারিবারিক আড্ডা আর একসঙ্গে খাওয়ার মুহূর্তই তাঁর কাছে ঈদের সবচেয়ে বড় আনন্দ।

পিআর/এসএন



মন্তব্য করুন