© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জাবি শিক্ষার্থী হত্যা, স্বামী ফাহিমকে ২ দিনের রিমান্ড

শেয়ার করুন:
জাবি শিক্ষার্থী হত্যা, স্বামী ফাহিমকে ২ দিনের রিমান্ড

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৩৪ পিএম | ২৪ মার্চ, ২০২৬
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার স্বামী ফাহিম আল হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ফাহিম ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। গত ১৫ মার্চ দুপুরে ক্যাম্পাস সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকার একটি বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ৫১ ব্যাচের শিক্ষার্থী শারমিন জাহানকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের চাচা ওইদিনই মনিরুল ইসলাম আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পর ১৫ মার্চ রাত আড়াইটার দিকে আশুলিয়ার ইসলামনগর এলাকা থেকে ফাহিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক শহিদুজ্জামান তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক বিশ্বজিৎ দেবনাথ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছিলেন। ফাহিমের পক্ষে তার আইনজীবী সৈয়দ জাহিদুল ইসলাম রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেছিলেন। শুনানিকালে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হননি। এজন্য আদালত ফাহিমকে কারাগারে পাঠিয়ে ২৪ মার্চ রিমান্ড শুনানির দিন রাখেন।

এদিন শুনানিকালে ফাহিমকে আদালতে হাজির হন। তদন্ত কর্মকর্তাও আদালতে উপস্থিত হন। বিশ্বজিৎ দেবনাথ জানান, ফাহিমের পক্ষে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে, নিহত শারমিন জাহান খাদিজা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অন্যদিকে গ্রেফতারকৃত স্বামী ফাহিম আল হাসান ঢাকার একটি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। গত বছরের জুন মাসে তারা পরিবারের অগোচরে বিয়ে করার পর থেকে আশুলিয়ার ইসলামনগর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ চলছিল।

​ঘটনার দিন গতকাল ১৫ মার্চ বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে কোনো এক সময়ে ফাহিম অজ্ঞাত সহযোগীদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে শারমিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কপালে ও মাথায় কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আরআই/এসএন

মন্তব্য করুন