যাকাতের নিয়তে মোবাইল রিচার্জ করে দেওয়া যাবে?
ছবি: সংগৃহীত
০৭:৫৩ এএম | ২৭ মার্চ, ২০২৬
যাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ফরজ বিধান ও ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। সমাজের বিত্তশালীদের ওপর যাকাত আদায় ফরজ। যাকাত সম্পদ পবিত্র করে, বিত্তশালীদের পরিশুদ্ধ করে, দারিদ্র্য মোচন করে, উৎপাদন বৃদ্ধি করে, অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস করে এবং সমাজে শান্তি আনে।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘তোমরা সালাত আদায় কর এবং যাকাত প্রদান কর। তোমরা যে উত্তম কাজ নিজেদের জন্য অগ্রে প্রেরণ করবে তা আল্লাহর নিকটে পাবে। নিশ্চয়ই তোমরা যা কর আল্লাহ তা দেখছেন। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১১০)
অন্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা সালাত আদায় কর, যাকাত দাও এবং রাসুলের আনুগত্য কর যাতে তোমরা অনুগ্রহভাজন হতে পার।’ (সুরা নূর, আয়াত : ৫৬)
যাকাত আদায়ের পুরস্কারের পাশাপাশি পবিত্র কোরআনে যাকাত অনাদায়ের শাস্তির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন— ‘এবং যারা সোনা ও রুপা জমা করে রাখে, আর তা আল্লাহর রাস্তায় খরচ করে না, আপনি তাদের বেদনাদায়ক আজাবের সুসংবাদ দিন, যেদিন জাহান্নামের আগুনে তা গরম করা হবে, অতঃপর তা দিয়ে তাদের কপালে, পার্শ্বদেশে ও পিঠে সেঁক দেওয়া হবে। (আর বলা হবে) এটা তা-ই, যা তোমরা নিজেদের জন্য জমা করে রেখেছিলে। সুতরাং তোমরা যা জমা করেছিলে তার স্বাদ উপভোগ করো।’ (সূরা তাওবা, আয়াত : ৩৪-৩৫)
যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে মূল শর্ত হলো— প্রকৃত হকদারকে তার পাওনা অর্থাৎ বুঝিয়ে দেওয়া এবং মালিক বানিয়ে দেওয়া। যাকাতের নিয়তে কাউকে মোবাইল রিচার্জ করে দেওয়ার মাধ্যমে এই শর্তটি পাওয়া যায়। অর্থাৎ, কারো মোবাইলে টাকা পাঠালে ওই ব্যক্তি টাকার মালিক হয়ে যান, তাই যাকাতের নিয়তে আদায় হয়ে যাবে। (বাদায়েউস সানায়ে : ২/৩৯)
টিজে/এসএন