ইসরায়েলের সামরিক কেন্দ্র ও কারখানায় ফের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
ছবি: সংগৃহীত
০৬:৪০ পিএম | ০৪ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সামরিক ও শিল্পকেন্দ্র এবং সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের অবস্থান লক্ষ্য করে নতুন করে বড় ধরনের প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) পরিচালিত এই অভিযানে তেল আবিবসহ দখলকৃত ভূখণ্ডের দক্ষিণ, মধ্য এবং উত্তর অংশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অপারেশন টু প্রমিজ-৪ এর ৯৪তম তরঙ্গের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। অভিযানে খোররামশাহর, খায়বার-শেখান এবং ইমাদ-এর মতো অত্যাধুনিক কঠিন ও তরল জ্বালানিচালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নির্দেশিত ওয়ারহেড এবং একাধিক প্রজেক্টাইল সমৃদ্ধ। এছাড়া হামলায় বিপুল সংখ্যক ধ্বংসাত্মক ড্রোনও অংশ নেয়।
লক্ষ্যবস্তু ও কৌশল বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের ডিমোনা, নেগেভ, বির শেবা এবং রামাত গান এলাকায় ডিপ ফায়ার-টু-ফায়ার কৌশলের আওতায় এই নিরবচ্ছিন্ন হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসি-র দাবি, ইহুদিবাদীদের উন্নত মাল্টি-লেয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের এই শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মোকাবিলা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
আঞ্চলিক প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সক্রিয়তা ইরানের পাশাপাশি আঞ্চলিক প্রতিরোধ ফ্রন্টগুলোও ইসরায়েল ও আমেরিকান আগ্রাসীদের ওপর চাপ বৃদ্ধি করেছে। ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, ইরাকের ইসলামী প্রতিরোধ যোদ্ধারা গত কয়েক ঘণ্টায় সফলভাবে ১৯টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র অভিযান পরিচালনা করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে এই সংঘাত চরম আকার ধারণ করে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় উস্কানিমূলক বিমান হামলা শুরু করলে ইরান এই কঠোর প্রতিশোধমূলক অবস্থান গ্রহণ করে। বর্তমান হামলাগুলো তারই ধারাবাহিকতা বলে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ
এমআর/টিকে