© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি মেলায় ২য় বাংলাদেশ

শেয়ার করুন:
মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি মেলায় ২য় বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৪৫ পিএম | ০৯ এপ্রিল, ২০২৬
সৌদি আরবের মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ১৪তম 'সংস্কৃতি ও লোকজ মেলা' (Festival of Cultures and Peoples)-এ অনন্য এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ।

বিশ্বের প্রায় ১৮৪ দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই বিশাল আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছে। গত বছর এই মেলায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল পঞ্চম, যা এ বছর তিন ধাপ এগিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উন্নীত হয়েছে।
 
সম্প্রতি এক আড়ম্বরপূর্ণ সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই মেলা সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শেয়ার্ড সার্ভিসেসের আন্ডার সেক্রেটারি ড. আব্দুর রহমান বিন ইব্রাহিম আল-কাসিম এবং অ্যাকাডেমিক অ্যাফেয়ার্সের আন্ডার সেক্রেটারি ড. আব্দুল্লাহ বিন মাহফুজ আল-শানকিতি। প্রতিযোগিতায় অভাবনীয় এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ দলকে ২৫০ সৌদি রিয়াল মূল পুরস্কারের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৭০০, ৫০০ এবং ৩০০ রিয়ালের আরও বেশ কয়েকটি বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
 
মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রায় ৫৫০ জন বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর নিরলস পরিশ্রমের ফসল এই অর্জন। মেলায় বাংলাদেশী স্টলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শেখ সাজিদুর রহমান মাদানী। এবারের মেলায় বাংলাদেশী স্টলের মূল আকর্ষণ ছিল গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘রিকশা’। রিকশাটি মেলায় আসা আরব নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশের দর্শকদের ব্যাপকভাবে মুগ্ধ করে। বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী শখের বসে রিকশায় চড়ে ছবি তোলেন এবং বাংলাদেশের লোকজ ঐতিহ্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
 
এই বিশাল সাফল্যের নেপথ্যে বিশেষ অবদান ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন জেদ্দায় নিযুক্ত বাংলাদেশ কনস্যুলেটের নাহিদ হাবিবা, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর এবং মান্যবর রাষ্ট্রদূত। এছাড়া মদিনা প্রবাসী কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে মাহবুব ও আনিসুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন।
 
বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা তাদের এই অর্জনে মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছেন। একইসঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীদের পবিত্র নগরী মদিনায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ এবং ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। এই অর্জনে উৎসাহিত শিক্ষার্থীরা আগামী বছরগুলোতে প্রথম স্থান অধিকারের লক্ষ্য নিয়ে এখন থেকেই দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

এসএস/টিকে

মন্তব্য করুন