© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত ২০ কি.মি যানজট

শেয়ার করুন:
কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত ২০ কি.মি যানজট

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:২০ পিএম | ০৯ এপ্রিল, ২০২৬
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে কাদাপানি জমে থাকা এবং বড় গর্তের কারণে মহাসড়কটির একটি বড় অংশ কার্যত চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ধীরগতির যান চলাচল দেখা যায়।

দুপুরের দিকে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। কাঁচপুর, শিমরাইল, মদনপুর, ভূলতা সংযোগ এলাকা পেরিয়ে যানজট গিয়ে ঠেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত। প্রায় ২০ কিলোমিটারের যানজটে এ মহাসড়কের যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
মহাসড়কের পাশের ব্যবসায়ীরা জানায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অনেক স্থানে বৃষ্টির পানি জমায় তা ছোট-খাটো পুকুরের মতো তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে গভীর গর্ত ও সড়কের দুপাশের কাঁচা রাস্তায় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে একসঙ্গে একাধিক গাড়ি চলাচল করতে পারছে না। বিশেষ করে ভারী যানবাহন, যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক ধীরগতিতে চলাচল করায় পুরো মহাসড়কজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

যানজটে আটকে পড়া যাত্রীদের অভিযোগ, কয়েক কিলোমিটারের পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে কয়েক ঘণ্টা। অনেকে অফিস, জরুরি কাজ কিংবা গন্তব্যে সময়মতো পৌঁছাতে না পেরে দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে নারী, শিশু ও অসুস্থ যাত্রীরা বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন।

ঢাকাগামী একটি বাসের যাত্রী বলেন, যেখানে আধা ঘণ্টার রাস্তা, সেখানে তিন ঘণ্টা ধরে বসে আছি। গাড়ি একবার একটু এগোয়, আবার ১০-১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে। বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। যানজটে আটকে থাকা এক ট্রাকচালক জানান, সড়কে এত গর্ত আর কাদা যে, গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এক পাশ দিয়ে গাড়ি গেলে অন্য পাশ থেমে থাকতে হচ্ছে। এতে পেছনে যানবাহনের দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হচ্ছে।

চালকরা আরও জানায়, সাময়িকভাবে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে যানজট কিছুটা কমানো গেলেও মূল সমস্যা মহাসড়কের বেহাল অবস্থা। তাই দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং ভারী যান চলাচলে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ না আনলে এই ভোগান্তি আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ট্রাফিক ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন বলেন, বৃষ্টির কারণে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের তিন ভাগের দুই ভাগ কাদা ও পানিতে তলিয়ে আছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কাঁচপুর সেতুর নিচ দিয়ে সিলেট মহাসড়কে গাড়ি প্রবেশ করতে না পারায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে।

এবি/টিএ

মন্তব্য করুন