© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই: দীপিকা কক্কর

শেয়ার করুন:
এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই: দীপিকা কক্কর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৩৮ পিএম | ১০ এপ্রিল, ২০২৬
কঠিন অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে জীবনের অগ্রাধিকার কীভাবে বদলে যায়, সেই বাস্তব অভিজ্ঞতার কথাই সামনে আনলেন টেলিভিশনের পরিচিত মুখ দীপিকা কক্কর। ক্যানসারের সঙ্গে তাঁর এই লড়াই শুধু শারীরিক নয়, মানসিক দিক থেকেও ভীষণ চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি তাঁর একটি ব্লগ ঘিরে আলোচনায় উঠে এসেছে এই ব্যক্তিগত লড়াইয়ের নানা দিক। সেখানে দীপিকা জানান, অসুস্থতার কারণে তিনি তাঁর ছোট ছেলে রুহানের সঙ্গে ঠিকমতো সময় কাটাতে পারছেন না। চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং শারীরিক ক্লান্তি সব মিলিয়ে দৈনন্দিন জীবন অনেকটাই বদলে গেছে তাঁর।

তিনি জানান, শরীরে সিস্ট আবার ফিরে আসায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে এই পরিস্থিতিকেও তিনি ঈশ্বরের ইচ্ছা বলে মেনে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। অসুস্থতার সময় মাথার ভেতরে নানা দুশ্চিন্তা কাজ করে, আর সেই সময় পরিবারের সবাই পাশে থাকলেও নিজের লড়াইটা একাই লড়তে হয় এই অনুভূতির কথাও ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।

দীপিকা খোলামেলা ভাবে বলেন, ক্লান্ত হয়ে পড়লে অনেক সময় তিনি বিশ্রামে চলে যান, আর হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হলে ছেলের কাছ থেকেও দূরে থাকতে হয়। এই দূরত্বই তাঁকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়। তাঁর কথায়, অসুস্থতা মানুষের জীবনযাপন ও অগ্রাধিকার সম্পূর্ণ বদলে দেয়, আর তিনি দ্রুত এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে চান।

চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক শক্তি ধরে রাখার চেষ্টা করছেন তিনি। নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে, ভবিষ্যতের চিকিৎসা পরিকল্পনাও করছেন। একই সঙ্গে ভক্তদের সঙ্গে নিজের এই লড়াইয়ের কথা ভাগ করে নিচ্ছেন, যাতে তাঁরা তাঁর বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারেন।



একই দিনে আরেকটি ভিডিও বার্তায় তাঁকে দেখা গেছে ঘরোয়া পরিবেশে রান্না করতে ও ছেলের সঙ্গে সময় কাটাতে। পরিবারের সদস্যরা তাঁর পাশে রয়েছেন, যদিও তাঁদের উদ্বেগ সবসময় প্রকাশ পায় না এই কথাও তুলে ধরেন অভিনেত্রী।

উল্লেখ্য, গত বছর টিউমারের অস্ত্রোপচারের পর চলতি বছর ফের শারীরিক জটিলতার মুখে পড়েন তিনি। সেই থেকেই চলছে তাঁর নতুন লড়াই। তবু সবকিছুর মাঝেও আশা ছাড়ছেন না দীপিকা, বরং সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয়ই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।


পিআর/টিকে

মন্তব্য করুন