© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

যুদ্ধবিরতির পরও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
যুদ্ধবিরতির পরও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৪৪ পিএম | ১১ এপ্রিল, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে সৃষ্ট জ্বালানিসংকট মোকাবেলায় ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও এই জ্বালানিসংকট সহসাই কাটবে না। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল বর্তমানে এক উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং জ্বালানি সংকট এ অঞ্চলের দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানোর পাশাপাশি একে অপরের প্রয়োজন উপলব্ধি করা এবং সম্মিলিত সম্পদের স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন।

বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারণাগুলো পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পুরো কাঠামোটি নতুন করে পর্যালোচনার দাবি জানান। তার মতে, আর্থসামাজিকভাবে প্রান্তিক ও পরিবেশগত ঝুঁকিতে থাকা বিশাল জনগোষ্ঠীকে সর্বোত্তম সুরক্ষা দেওয়া, উন্নয়নের অর্জনগুলো রক্ষা করা এবং উদ্ভূত সংকটগুলো মোকাবেলার উপায় নিয়ে ভাবা ক্রমশই জরুরি হয়ে পড়েছে।

সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুপার সোর্সিং হাব গড়ে তোলার রূপকল্পের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, এর মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত করা। দেশের জেলা ও উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে এসব উদ্যোগ শক্তিশালী করার মাধ্যমে স্থানীয় উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে সংযুক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সম্মেলনে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পথ তৈরিতে ভারত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক প্রযুক্তি এখন উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। তরুণ ও উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সক্ষমতা ও সুযোগগুলো কাজে লাগানোর পাশাপাশি সব খাতে উদ্ভাবনের নেতৃত্বে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) এগিয়ে আনার ওপর তিনি বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে দীর্ঘদিনের পুরনো পদক্ষেপগুলো পুনর্বিবেচনার তাগিদ দেন।

এসএস/টিকে

মন্তব্য করুন