আজ পাকিস্তানের ইতিহাসে যুগান্তকারী মুহূর্ত: কেপি গভর্নর
ছবি: সংগৃহীত
০৪:২৮ পিএম | ১১ এপ্রিল, ২০২৬
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের (কেপি) গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দি বলেছেন, আজ ‘পাকিস্তানের ইতিহাসে যুগান্তকারী মুহূর্ত’। এক এক্স পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদলের আগমন ঘটেছে। শহরটি এখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আমাদের সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার আয়োজন করছে।’
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘পাকিস্তান বিশ্ব কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, যা এই অঞ্চল এবং বিশ্বকে সংঘাত থেকে দূরে সরিয়ে স্থায়ী শান্তির দিকে পরিচালিত করছে।’
দুই সপ্তাহের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে আরও টেকসই একটি নিষ্পত্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় বসতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই মার্কিন-ইরান আলোচনা হবে ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে প্রথম সরাসরি উচ্চ-পর্যায়ের আলোচনা।
এই আলোচনায় নেতৃত্ব দিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এরই মধ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। যাত্রা শুরুর আগে তিনি বলেন, ‘যদি ইরানিরা সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনা করতে ইচ্ছুক হয়, তবে আমরা অবশ্যই তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত।’
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ ইরানের অন্তত ৮০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন।
প্রত্যাশা অনুযায়ী যদি উভয় পক্ষ মুখোমুখি আলোচনায় বসে, তবে ২০১৫ সালের পর এটাই হবে তাদের প্রথম সরাসরি আলোচনা। এখন থেকে এক দশকেরও বেশি সময় আগে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছিল উভয় পক্ষ।
ওই চুক্তিতে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ২০১৮ সালে পারমাণবিক চুক্তিটি বাতিল করে দেন এবং পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর ফলে ফলে চুক্তিটি অকার্যকর হয়ে পড়ে এবং ইরান আবারও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বাড়িয়ে দেয়। এতে নতুন করে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
এমআই/টিকে