© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বয়সভিত্তিক দলের জন্য নতুন বিদেশি কোচ নেবে বাফুফে

শেয়ার করুন:
বয়সভিত্তিক দলের জন্য নতুন বিদেশি কোচ নেবে বাফুফে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৫৬ পিএম | ১২ এপ্রিল, ২০২৬
সম্প্রতি আইরিশ কোচ মার্ক কক্সের অধীনে মালদ্বীপে হওয়া সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলে বাংলাদেশ। সেখানে ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। কক্সের সঙ্গে এই টুর্নামেন্টের জন্যই এক মাসের চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। নতুন করে কোচ চেয়ে এরই মধ্যে নিয়োগ দিয়েছে ফেডারেশন।

আজ ডেভেলপমেন্ট কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন সহসভাপতি ও কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদি। সেখানে শুরুতেই তিনি সাফ চ্যাম্পিয়ন দল এবং দলের সঙ্গে থাকা কন্টিনজেন্টকে ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে নতুন কোচ নিয়োগের ব্যাপারেও কথা বলেন,

‘আমরা এবার বয়সভিত্তিক দলগুলোর জন্য অর্থাৎ ইয়ুথ এবং গ্রাসরুট ফুটবলের জন্য কোচ নিয়োগ করতে যাচ্ছি। এটা নিয়ে সার্কুলার দেওয়া হয়েছে। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে আবেদন আহ্বান করছি এবং চেষ্টা করব এপ্রিলের ভেতরেই কোচ নির্বাচন করে ফেলতে, যাতে মে মাসের মাঝামাঝি থেকেই তিনি দায়িত্ব নিতে পারেন। সেইসঙ্গে আমাদের যারা ফেডারেশনের কোচ আছেন তাদেরকে দিয়ে আমরা অনূর্ধ্ব-১৭ এবং অনূর্ধ্ব-২০ এর জন্য একটা শক্তিশালী কোচিং স্কোয়াড তৈরি করতে চাচ্ছি।’

মার্ক কক্সের অধীনেই বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরও তাঁকে কেন বিবেচনা করা হচ্ছে না। এমন প্রশ্ন ওঠে প্রেস ব্রিফিংয়ে। সেখানে অবশ্য কক্সের আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি বাফুফে সহসভাপতি। এ বিষয়ে নাসের শাহরিয়ার জাহেদি বলেন, ‘মার্ক কক্সের সঙ্গে এক মাসের চুক্তি ছিল। এই সময়টা তিনি খুব সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। আমরা তাঁকে মূল্যায়ন করেছি। যাওয়ার সময় তাঁকে আরও অনুপ্রেরণামূলক ইনসেন্টিভ দিয়েছি। তো এক মাস পরে আমাদের কোচ নিতে হতো। যদি মার্ক কক্সকেও নিতে হয় ওটা একটা প্রক্রিয়াতে যেতে হবে।’

মার্ক কক্সকে নিয়ে সার্টিফিকেট জালিয়াতির মতো কিছু নেতিবাচক সংবাদ আসে এই সময়ে। কোচের বিষয়টি নিয়ে নাসের শাহরিয়ার জাহেদি বলেন, ‘কক্সের বায়োডাটাতে কখনোই বলে নাই সে প্রো লাইসেন্স হোল্ডার। সে বলেছে সে ‘এ’ গ্রেড লাইসেন্স হোল্ডার। এটা আসলে একটু ভুল বোঝাবুঝি ছিল।’

বাফুফের এই সহ-সভাপতিকে এদিন কথা বলতে হয় মালদ্বীপ সফরে দলের ম্যানেজার সামিদ কাশেমকে নিয়েও। প্রতিযোগিতায় গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মেজাজ হারিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন দলের ম্যানেজার। বয়সভিত্তিক দলের খেলোয়াড়েরা আবেগী হয়ে পড়বেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ওই সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব থাকে কোচ-ম্যানেজারের কাঁধে। উল্টো ম্যানেজারই মাঠের মধ্যে প্রবেশ করে হলুদ কার্ড দেখেন। সেই সময়ে এটাকে অনেকেই অপেশাদার আচরণ বলে আখ্যায়িত করেছেন। এ নিয়ে আজ জানতে চাইলে ডেভেলপমেন্ট কমিটির ওই সদস্যের পাশেই দাঁড়ালেন নাসের শাহরিয়ার জাহেদি। তিনি ম্যানেজারের ভুল দেখেননি সেখানে; বরং সাফের রেফারিংকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। যদিও ডেভলপমেন্ট কমিটিতে সাইদ হাসান কানন এবং শফিকুল ইসলাম মানিকের মতো সাবেক তারকা ফুটবলাররা আছেন। তাঁরা থাকতেও সাইদ কাশেমকে কেন মালদ্বীপ পাঠানো হলো সেই প্রশ্নই উঠছে বারবার।

মন্তব্য করুন